উপমহাদেশে এখন ক্রিকেট হচ্ছে সবচেয়ে আকর্ষনীয় খেলা। যার ধারে কাছেও নেই অন্য খেলাগুলো। আর খেলাটির এই তুঙ্গতস্পর্শী জনপ্রিয়তার পেছনে বিপুল অবদান আছে দর্শকদেরও। তবে দর্শকদের মধ্যেও রয়েছেন আইকন। তারকা দর্শকও বলা যায় তাদের। যেমন পাকিস্তানের চৌধুরী আবদুল জলিল। যিনি ‘জলিল চাচা’ হিসেবেই বেশী পরিচিত। পাকিস্তানী ক্রিকেট তারকাদের পাশাপাশি এখন তাকেও চিনেন পাকিস্তান তথা ক্রিকেট অনুরাগী দর্শকরা। পাকিস্তানের ম্যাচ যেখানে, সেখানেই হাজির হন তিনি।এই ক্রিকেটের বদৌলতে তিনি ঘুরে বেড়ান দেশ থেকে দেশান্তরে।
ওই কাতারে জলিল চাচার পর যুক্ত হয়েছেন ভারতের সুধির গৌতম। যিনি বাংলাদেশী দর্শকদের কাছে এখনো পুরোপুরি পরিচিতি না পেলেও ভারতের কোটি দর্শক তাকে চেনেন একনামে। ভারতীয় দলের সঙ্গে তিনি ঘুরে বেড়ান বিশ্বময়। দুই দলের খেলা চলাকালে টেলিভিশন চ্যানেলে তাদের দেখা যায় হর হামেশা। নিজ নিজ দলের পতাকা হাতে তারা স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে পতাকা নাড়িয়ে দলকে সমর্থন জানান।
আজ মিরপুরের জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সবচেয়ে উত্তেজনাকর ম্যাচটি দেখতে এবং দলকে সমর্থন দিতে পতাকা হাতে সুধির গৌতমকে দেখা গেলেও দেখা যায়নি জলিল চাচাকে। দুই ভিআইপি দর্শক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সমর্থক হলেও তাদের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং যোগাযোগ। কথাও হয় বিভিন্ন সময়। আজ তার পরিপুরক ভিআইপি দর্শক জলিল চাচা নেই কেন জানতে চাইলে সুধির বলেন, এই ম্যাচটিতে আমি তাকে প্রত্যাশা করছিলাম। তবে তিনি আসেননি। শুনেছি টি২০ বিশ্বকাপ চলাকালে তিনি বাংলাদেশে আসবেন।’ বাসস/ এএফপি।
