নিজেদের তৈরি দুটি রোবটের সফল পরীক্ষা চালালো ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে ‘মেজ সলভিং রোবট’ ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএসএবি) আয়োজনে ন্যাশনাল রোবটিক ফেস্টিভ্যাল-২০১৪ তে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে। ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পল্টনে ন্যাশনাল স্পোটর্স কাউন্সিলে এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এটি এক সাথে রোবটের প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী। ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ কলেজ, স্কুলের ১৪০টি প্রতিনিধি দলের ৫০০ জন প্রতিযোগী এ প্রদর্শনীতে অংশ নেয়।
‘মেজ সলভিং রোবট’ এবং ‘অবজেক্ট কিপিং রোবট’ নামের রোবট দুটি উদ্ভাবন করেন রুপায়ন হালদার, মিজানুর রহমান, পলাশ চন্দ্র মন্ডল, মুসলিম উদ্দিন, রুপক কুমার সাহা, অসীম কুমার পাল, শরিফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, উত্তম কুমার ও পরিতোষ কুমার যারা সবাই ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী।
উদ্ভাবকদের দল নেতা জানান, ‘মেজ সলভিং রোবট’ রোবটটি বেশির ভাগ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে ব্যবহার করা হবে। এ রোবটটি নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অনেক জটিল পথের মধ্যে সহজ পথ খুঁজে নিয়ে কাজ করতে পারবে এবং ফেরার পথে সেই পুরানো পথেই ফিরে আসবে। বর্তমানে এ রোবটটি টানা দুই ঘন্টা কাজ করতে পারে, সম্পূর্ণ তৈরি শেষে এটি টানা আট ঘন্টা কাজ করতে পারবে বলে দাবি করেন তিনি। এটি মাইক্রোকন্টোলের সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রদর্শনীতে ২য় হওয়া এ রোবটটি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ২৫ হাজার টাকা, জাতীয় পতাকা ও ভারতের একটি ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ।
‘অবজেক্ট কিপিং রোবট’ এটিও নিজ বুদ্ধিমত্তায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কোন বস্তু নিতে পারবে। বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে, সমুদ্রবন্দরে অথবা বিমানবন্দরে পণ্য বহন করে যথাস্থানে রাখতে পারে বলে জানান উদ্ভাবকরা। এটি প্রথম দিকে ৪ ঘন্টা কাজ করতে সক্ষম।
নিজেদের উদ্ভাবন করা এই রোবট দুটি নিয়ে আশাবাদি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ভবিষ্যতে তারা আরো ভালো কিছু করতে চায়। তবে তারা জানিয়েছেন, কিছু মানসম্মত যন্ত্রপাতি পেলে শক্তিশালী রোবট তৈরি করে সারাবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে পারব আমরা।..........
