প্রি য় মু খ .......................

চাঁদনীর চাওয়া

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৪, ১৯:২৯
শুরুটা অন্যের ছবি তোলা থেকে। ক্যামেরা হাতে পেলেই ক্লিক। বাদ যায় না নিজের ছবিও। কোনো একদিনের তোলা ছবি থেকেই অনুপ্রেরণা, নিজেকে ক্যামেরার সামনে কিভাবে আরও বেশি ভালো করে উপস্থাপন করা যায়। সেখান থেকেই মডেলিং। কথা হচ্ছিল মডেল লুত্ফুন্নাহার চাঁদনীর সঙ্গে। বেশ কয়েকটি শর্ট ফিল্ম, ফ্যাশন হাউজের বিজ্ঞাপন, টেলিভিশন বিজ্ঞাপনসহ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় কাজ করে ইতোমধ্যেই অনেকের নজরে পড়েছেন চাঁদনী। মডেলিংয়ের কাজ খুব বেশিদিনের না হলেও তিক্ত আর মিষ্টি সবমিলিয়ে অভিজ্ঞতা অনেক মজার। চাঁদনী অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন। ভবিষ্যত্ ইচ্ছা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়ার। তাহলে মডেলিং-এ কেন? জানতে চেয়েছিলাম তার কাছে। উত্তরে চাঁদনী, ‘আসলে মডেলিংটা আমার একেবারই শখ। মানুুষের অনেক কিছু শখ থাকে। আমার মডেলিং করতে ভালো লাগে। টেলিভিশনের মডেলরা আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করে। আমি ভবিষ্যতে নিজেকে একজন বড় মডেল হিসাবে দেখতে চাই।’ মডেলিংয়ের শখ হলো কিভাবে? প্রশ্নের উত্তরে চাঁদনী জানান, ‘আমি ছোটবেলা থেকে অনেক ভালো নাচতাম। স্কুলে থাকতে নাচের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অনেক পুরস্কারও পেয়েছি। পাশাপাশি অনেক মঞ্চনাটকও করেছি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধুদের সাথে কয়েকটি ফটোশুট করি। তারপর কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ও ফ্যাশন হাউজে কাজ করি। সেখান থেকেই মডেলিংয়ের শখটা আরও গাঢ় হয়।’ চাঁদনীর পরিবার ঢাকায় থাকে। বড় হওয়াটাও ঢাকায়। দুই ভাই দেশের বাইরে থাকায় মা-বাবার সাথে একাই থাকেন তিনি। আর একাকীত্ব থেকে মুক্তি পেতে চাঁদনী তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা, তাদের সাথে খাওয়া আর এমন মুহূর্তগুলোকে ছবি করে রেখে সময় পার করে দেন। তবে রাস্তার পাশে কোনো গরিব-দুখী দেখলে ব্যথিত হন তিনি। তাই কোনো ছিন্নমূল মানুষের কষ্ট দেখলেই পাশে দাঁড়াতে বেশি করে এগিয়ে আসার চেষ্টা করেন। ভবিষ্যতে এসব গরিব-দুখী মানুষের জন্য কাজ করার প্রবল ইচ্ছা আছে চাঁদনীর।