আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দুই বাংলার হাজার হাজার ভাষাপ্রেমী মানুষ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় বেনাপোল চেকপোস্ট নোমান্সল্যান্ড এলাকায়। ভৌগোলিক সীমারেখা ভুলে কেবলমাত্র ভাষার টানে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া উপেক্ষা করেই কার্যত দলে দলে মানুষ সীমান্তের এপার-ওপারে দু’দেশের সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত ভাষা অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতি প্রিয় মল্লিক, পশ্চিম বংগের বনগাও অঞ্চলের বিধায়ক বিশ্বজিত্ দাস, বনগাও পৌর সভার মেয়র জোত্সনা আড্র, উওর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাপতি রহিমা মন্ডল, ও ভাইস চেয়ারম্যান গোপাল ব্যানার্জি। বাংলাদেশের বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, যশোরের জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশ সুপার জয়দেব ভদ্র, ২৬ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মতিউর রহমান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফুল আলম, উভয় দেশের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয় এ অনুষ্ঠানে। সমগ্র অনুষ্ঠানে নেওয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তা। কড়াকড়ি আরোপ করা হয় দুই সীমান্তে। বেনাপোল পেট্রাপোল চেকপোস্টে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি ও বিএসএফ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয় দুই সীমান্তে। সীমান্ত টপকে যাতে কেউ অবৈধভাবে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি ও বিএসএফ কাঁটাতারের বেষ্টনী দিয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।
