পল্লবী থানার তিন এসআই ও সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০১৪, ২২:১৩
বিয়ে বাড়ি থেকে ধরে থানায় নিয়ে নির্যাতন করে জনি নামক এক যুবককে হত্যার অভিযোগে পল্লবী থানার তিন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও এক পুলিশ সোর্সসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল বাতেন, সুব্রত কুমার সাহা, জাহিদ রহমান খান ও পুলিশ সোর্স সুমন। বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নিহত জনির মা খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে নালিশি এ মামলা দায়ের করেন। ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আনোয়ার সাদত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে এ ঘটনায় পল্লবী থানা পুলিশের দায়েরকৃত হত্যা মামলার সাথে সংযুক্ত করে তদন্ত করার জন্য ওই থানার পরিদর্শককে (তদন্ত) নির্দেশ দেন। বাদীর আরজি সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ১১নং সেক্টরে একটি বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন অনুষ্ঠানে মেয়েদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করতে থাকে। এতে জনি ও তার ভাই সোর্স সুমনকে বুঝিয়ে চলে যেতে বলে। সুমন সেদিনের মতো চলে যায়। পরের দিন এসে আবার একই কাজ করতে থাকে। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পুলিশকে ফোন করে। পুলিশ এসে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া করলে পুলিশ গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে চলে যায়। থানায় নিয়ে তাদের অমানবিক নির্যাতনের ফলে জনির শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে প্রথমে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে জনিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।