শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণ গেছে ৯৯ জনের

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৪, ২১:৫১
সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংসদকে জানিয়েছেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৯৯ জন শান্তিরক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এমএ মালেকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমদ প্রশ্নের জবাব দেন। মন্ত্রী আরও জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্বরত অবস্থায় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিহত সদস্যদের পরিবারকে সংস্থাটি হতে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ডলার সহানুভূতিমূলক ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর ছয় হাজার ১৫৫ জন সদস্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়া, আইভরি কোষ্ট, দক্ষিণ সুদান, উত্তর সুদান (দারফুর), ডি আর কঙ্গো, পশ্চিম সাহারা, লেবানন ও মালিতে দায়িত্ব পালন করছেন। তালিকায় আছে, পরিসংখ্যান নেই : স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন অস্থায়ী সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিফৌজ (এমএফ), মুক্তিবাহিনী (এফএফ), বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স (মুজিব বাহিনী/বিএলএফ) বাহিনীগুলোতে কতজন করে সদস্য ছিল তার সঠিক পরিসংখ্যান সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি বলে সংসদে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। তবে এসব বাহিনীর সকল সদস্যই মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছেন বলে জানান তিনি। কাজী ফিরোজ রশীদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। দক্ষিণাঞ্চলে স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট হবে : বিএনএফ’র সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ এক সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলীয় অঞ্চল এবং সমুদ্রে জেগে ওঠা দ্বীপ ও চরের নিরাপত্তা প্রয়োজন। এসব অঞ্চল সব সময় মিয়ানমারের হুমকিতে রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এখানে স্থায়ীভাবে কোনো ক্যান্টনমেন্ট (সেনানিবাস) স্থাপন করা হবে কি না? জবাবে তোফায়েল আহমদ বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলের এবং সমুদ্র উপকূলের নিরাপত্তার জন্য এই অঞ্চলে একটি স্থায়ী ক্যান্টনমেন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের আছে।