নায়ক সেই জয়াবর্ধনে

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৪, ২২:১৩
গত বছরের ২ জুলাই, কিংসটনে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। এরপর প্রায় আট মাস কেটে গেছে, ম্যাচের হিসেবে ১৪ ম্যাচ পার করে ফেলেছেন শ্রীলঙ্কার এই জীবন্ত কিংবদন্তী; কিন্তু সেঞ্চুরি তো দূরে থাক ফিফটিও পাননি। এই এশিয়া কাপেও ফাইনালের আগে চার ম্যাচ মিলিয়ে রান মাত্র তার ৩৬! স্বাভাবিকভাবেই ফাইনালের আগে জয়াবর্ধনেকে নিয়ে গুঞ্জন উঠেছিল। অধিনায়ক অ্যাঞ্জোলো ম্যাথুসকে কেউ একজন চক্ষুলজ্জা ভুলে জয়াবর্ধনের দলে থাকার ন্যায্যতা নিয়েও প্রশ্ন করে ফেলেছিলেন। ম্যাথুস তীব্র আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, ‘ও কোন মাপের খেলোয়াড়, সেটা আমরা জানি। মাহেলা বড় ম্যাচের খেলোয়াড়, ফাইনাল দিয়েই ফিরবে সে।’ শুধু এই একটা কথার জন্যই এখন পুরষ্কার দাবি করে বসতে পারেন ম্যাথুস! ফাইনাল শেষে ‘নায়ক’ বাছাই করতে গিয়ে অনেক নাম সামনে আসতে পারে—লাসিথ মালিঙ্গা, ফাওয়াদ আলম বা লাহিরু থিরিমান্নে। কিন্তু রান দিয়ে বিচার না করে শুধু ম্যাচে প্রভাব বিচার করুন, শেষ পর্যন্ত আবার ম্যাচের ‘হিরো’ সেই ‘আউট অব ফর্ম’ মাহেলা জয়াবর্ধনের। আরও একবার বড় ম্যাচে জ্বলে উঠে নিজের ক্লাসটা প্রমাণ করে দিলেন। পাকিস্তানের ২৬০ রান তাড়া করতে গিয়ে যখন শ্রীলঙ্কা ৫৬ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে, ফিরে গেছেন সাঙ্গাকারাও; তখনই উইকেটে এসেছিলেন জয়াবর্ধনে। এরপর তরুন থিরিমান্নেকে নিয়ে করলেন ১৫৬ রানের জুটি। শেষ পর্যন্ত বড় ইনিংস খেলে ফেলা থিরিমান্নেকেই এই শ্রীলঙ্কার উত্থানের নায়ক বলে মনে হলেও ৯৩ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলা জয়াবর্ধনেই আসলে ধরে রাখলেন চাকাটা।