আট মাসে রপ্তানি বেড়েছে ১৪%

আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৪, ২০:১৭
চলতি ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পূর্বের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। একই সময়ে লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে রপ্তানি খাত। গত আট মাসে ১ হাজার ৯৪১ কোটি মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৯৮৩ কোটি ডলারের পণ্য। পূর্বের অর্থ বছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ৭৪০ কোটি ডলারের পণ্য। অবশ্য গেল ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। ফেব্রুয়ারিতে ২৩৯ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ২২৫ কোটি ডলারের পণ্য। তবে আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে চলতি অর্থ বছরের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। রবিবার তৈরি পোশাক উত্পাদকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র এক অনুষ্ঠানে তিনি এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রপ্তানির বড় নিয়ামক তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকায় গোটা রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তৈরি পোশাকের মূল খাত নীটওয়্যার ও ওভেন রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ ও ১৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। গত আট মাসের হিসাবে এই দুটি খাত রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সমর্থ হয়েছে। ৭৩৭ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭৯১ কেটি ডলারের। অন্যদিকে ৮০০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৮২৩ কোটি ডলারের। তবে পোশাক রপ্তানির এই প্রবৃদ্ধিতে খুশি নন রপ্তানিকারকরা। বিজিএমইএ’র সভাপতি আতিকুল ইসলাম এই ইস্যুতে রবিবার বিজিএমইএতে ওই অনুষ্ঠানে বলেন, এই পরিসংখ্যানে কেবল রপ্তানি বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কত প্রতিষ্ঠান আকাশপথে পণ্য পাঠিয়েছে আর কত প্রতিষ্ঠান ক্রেতাকে ডিসকাউন্ট দিয়েছে তার হিসাব নেই। তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের ভেতরে এখন রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রপ্তানির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, হিমায়িত খাদ্য, কৃষি পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা ও আসবাবপত্র জাতীয় পণ্য রপ্তানি বেড়েছে। অন্যদিকে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি কমেছে। একই সঙ্গে হিমায়িত মাছ, প্লাস্টিক পণ্য, প্রকৌশল পণ্য, সমুদ্রগামী জাহাজ ও কম্পিউটার সেবা রপ্তানি কমেছে।