বিশ্বকাপ আনন্দে বুঁদ নেপাল

আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৪, ২১:১৪
সংবাদ সম্মেলন শেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হাতে নিয়ে ছবি তুললেন। অথচ মুখে এক বিন্দু হাসির রেখা নেই পরশ খাদকার। ট্রফিতে অধিকার নেই বলেই কি এমন নির্বিকার নেপাল অধিনায়ক। সে যাই হোক না কেন, সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন ভিন্ন একজন হয়ে। জানিয়েছেন প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে সুযোগ পেয়ে আনন্দে বুঁদ হয়ে থাকার কথা, জানিয়েছেন বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের ভাবনার কথা। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এবারই প্রথম বড় কোন টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিয়েছে নেপাল। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নিজেদের ভাবনার কথা বলতে গিয়ে অধিনায়ক পরশ বলেন, ‘আমার মতে এখানে আমরা গোটা বিশ্বের সামনে নেপালের প্রতিনিধি হিসেবে হাজির হয়েছি। এটা আমাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ। আমরা সবাই খুবই আনন্দিত। গত ১২-১৩ বছর ধরে আমরা এর জন্য পরিশ্রম করে এসেছি। এখানে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই এসেছি। যদি নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী খেলতে পারি তাহলে সেটা আমাদের জন্য খুব ভাল একটা ব্যাপার হবে।’ ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল নেপাল। সেই দলেও ছিলেন এই পরশ খাদকা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ে একটা সমালোচনা আছে যে আমরা শুধু বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেই ভাল খেলি। কিন্তু গত দুই বছর ধরে আমাদের জাতীয় দল বেশ ভাল ক্রিকেট খেলছে। এখন ক্রিকেটের ভাল একটা কাঠামো হয়ে গেলেই হয়।’ গতকাল সোমবার আরও কথা বলেন দলের অলরাউন্ডার রাহুল বিশ্বকর্ম। ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজের দারুণ ভক্ত তিনি। ভাল লাগে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানকেও। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়ে তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে ক্রিকেট খেলাটা সত্যি অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা। আশা করি টুর্নামেন্টে ভাল করতে পারবো।’