জন্মান্ধ কুদ্দুস জীবন যুদ্ধে হার মানেননি। নিজের ও পরিবারের আহারের জন্য কারও কাছে হাত পাতেননি। তিনি জন্মান্ধ হয়েও পত্রিকা বিক্রির আয় থেকে সংসারের হাল ধরেছেন শক্ত হাতে। কর্মজীবনের দুই যুগ ধরে তিনি ঝড়, বৃষ্টি, শীত উপেক্ষা করে পাঠকের হাতে পত্রিকা পৌঁছে দিচ্ছেন।
৪৫ বছর আগে রায়গঞ্জের গাটির খামারের দরিদ্র মনিরুজ্জামান ও ফুলমতির কোল জুড়ে আসে কুদ্দুস। একমাত্র সন্তান জন্মের অনাবিল আনন্দ ফিকে হয় মুখ দর্শনে। জন্মান্ধ সন্তানকে লালন-পালনে বড় করলেও প্রিয় সন্তানের জীবন চলবে কিভাবে এই চিন্তায় তাদের চোখে-মুখে হতাশা বিরাজ করে সর্বক্ষণ। প্রাকৃতিক নিয়মে আজ তারা বেঁচে নেই। তাদের চাওয়াকে সম্মান দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি নয়। দুই সন্তানের জনক কুদ্দুস সংবাদপত্র হকার্স সমিতির সভাপতি নুর আলম বাবু ও আব্দুল আউয়ালের অনুপ্রেরণায় পত্রিকা বিক্রি করে জীবন চালায়।
