এই গ্রুপে যেমন বাংলাদেশ হট ফেবারিট; তেমনই প্রথম রাউন্ডের অন্য গ্রুপে প্রধান ফেবারিট জিম্বাবুয়ে। আয়ারল্যান্ড, হল্যান্ড বা আরব আমিরাতের কাউকে দ্বিতীয় পর্বে পা রাখতে গেলে এই জিম্বাবুয়েকে হতাশ করেই কাজটা করতে হবে। গতকাল প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দুই অধিনায়কই প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে বলে দিলেন, আসল লক্ষ্য তাদের ওই জিম্বাবুয়েকে টপকানোই।
আরব আমিরাতের অধিনায়ক খুররম খান অবশ্য বলছিলেন, শুধু জিম্বাবুয়েকে হারালে যেহেতু কাজ হবে না, তাই তারা একটা একটা করে দলের কথাই ভাবছেন, ‘জিম্বাবুয়ে এমন একটা দল, যারা অনেক অনেক ক্রিকেট খেলেছে; টেস্ট খেলুড়ে দেশ তারা! আর আমাদের এভাবে একটা দল নিয়ে ভাবলে চলবে না। আমরা আসলে প্রথমে হল্যান্ড, তারপর আয়ারল্যান্ড এবং তারপর জিম্বাবুয়ে; এভাবেই ভাবছি।’
খুররম মানছেন যে, তাদের জন্য আসলে বিশ্বকাপে আসতে পারাটাই অনেক বড় একটা প্রাপ্তি। এখনও দলের কোনো ক্রিকেটারই ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে নিতে পারেননি। তারপরও তারা যে এই পর্যন্ত এসেছেন, সেটা কম দেখছেন না তিনি।
ইদানীং বিশেষ করে আমিরাত পাকিস্তানের ‘হোম’ হয়ে যাওয়ায় সেখানে খেলাটা আরও জনপ্রিয় হচ্ছে এবং নতুন প্রজন্ম পেশা হিসেবে ক্রিকেটকে নিতে পারবে বলে আশা করছেন খুররম।
ঠিক এরকমই অবস্থায় থাকা আফগানিস্তান অবশ্য ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আঁচড় কেটে ফেলেছে। খুররম বলছেন, সেটা অনুপ্রেরণা হলেও তারা ওরকম কোনো কথা দিচ্ছেন না, ‘এটা বলা কঠিন। আফগানিস্তান অনেক ভালো ক্রিকেট খেলছে, তাদের লম্বা প্রস্তুতি আছে। তবে এখানে যেহেতু কন্ডিশন অনেকটাই আমাদের আরব আমিরাতের মতো, তাই আমরা আশাবাদী হতেই পারি।’
আশাবাদী হচ্ছেন আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়াম পটারফিল্ডও। তিনি বলছেন, এখানে ফেবারিট-টেবারিট কোনো ব্যাপারই না। বরং নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারলে জিম্বাবুয়েকে হারানোর ব্যাপারেও আশাবাদী তারা। আর পল স্টার্লিং তো সোজা বলে দিলেন, জিম্বাবুয়েকেই লক্ষ্য করছে আইরিশরা। তারা যে এই বাধা পার হতে পারবেন, এ ব্যাপারেও আশাবাদী ক্রিকেটের বেশ পুরোনো এই ‘উঠতি দল’টি।
