এবার হজ্বে যেতে পারবেন ১ লাখের বেশি মানুষ

আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৪, ২২:৩৮
চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন হজ্বে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯১ হাজার ৭৫৮ জন যাবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় গতবারের মতো এবারও দু’টি হজ্ব প্যাকেজ রাখা হয়েছে। প্যাকেজ দু’টির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে তিন লাখ ৫৪ হাজার ৩১৬ টাকা ও দুই লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৬ টাকা। দু’টি প্যাকেজের সঙ্গে কোরবানির খরচ হিসাবে বাড়তি ৫শ’ সৌদি রিয়াল অর্থাত্ সাড়ে ১০ হাজার টাকা যোগ হবে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘হজ্ব প্যাকেজ ২০১৪’ খসড়া অনুমোদন লাভ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ‘জাতীয় হজ্ব ও ওমরাহ্ নীতি ১৪৩৫ হিজরী (২০১৪)’র খসড়াও অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুঁইয়া প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারের উল্লেখিত প্যাকেজে থাকা-খাওয়াসহ অন্যান্য সুবিধা থাকছে। দু’টি প্যাকেজের মধ্যে পার্থক্য থাকবে বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্বযাত্রীদের জন্য ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন) দুই লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, মক্কার পবিত্র হেরেম শরীফের ব্যাপক সংস্কার কাজ চলছে। এ কারণে এবার সৌদি আরব সরকার বাংলাদেশের হজ্ব যাত্রীর কোটা ২০ শতাংশের মতো কমিয়ে দিয়েছে। ফলে গতবারের চেয়ে কম লোক এবার বাংলাদেশ থেকে হজ্বে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ২০১৫ সাল পর্যন্ত হেরেম শরীফের সংস্কার কাজ চলবে। তাই ২০১৫ সালের পর থেকে আবার অধিক সংখ্যায় বাংলাদেশিরা হজ্ব পালন করতে পারবেন। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে সৌদি সরকার সে দেশের জন্য ঈদ-উল-আজহার তারিখ নির্ধারণ করেছে চার অক্টোবর। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারি প্যাকেজসমূহে থাকা ও খাওয়ার বিষয়টি সৌদি সরকার মনিটরিং করবে। আর বেসরকারিভাবে যারা হজ্বে যাবেন তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে কোনভাবে মানবেতর জীবন-যাপনের অনুমতি দেয়া হবে না। তিনি বলেন, বেসরকারি হজ্ব প্যাকেজ সরকারি প্যাকেজের চেয়ে কম হতে পারবে না। তবে ডলারের দাম ওঠানামা করলে উল্লেখিত উভয় প্যাকেজের খরচও কমবেশি হতে পারে। মন্ত্রিসভা ‘রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৪’, ‘বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৪’ ও ‘খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৪’ এর খসড়ারও ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের প্রতিনিধি সংখ্যা পাঁচ থেকে ১১ জনে বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া গত ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সৌদি আরব ও সুইজারল্যান্ড সফর সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।