কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ছেঁচরাপুকুরিয়া গ্রামে গৃহবধূ শাহিনা আক্তারের লাশ উত্তোলনে নলকূপের চারদিকে খনন কাজ চলছে। পুরো খনন কাজ শেষ হয়ে লাশ উদ্ধারে আরো তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। খনন কাজে তিন জন মিস্ত্রিসহ নয় জন শ্রমিক কাজ করছে।
এদিকে এ নৃশংস খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রধান ঘাতক আব্দুল করিমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী খুনের সাথে জড়িত অপর দুইজনকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।
খনন কাজে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ দল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গভীর নলকূপের ১৪ ইঞ্চি গোলার্ধের ৮৫ ফুট পাইপের চারপাশে খনন কাজ চলছে। খনন কাজে বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান আলী হোসেন জানান, শাহিনার মরদেহ এ পাইপের মধ্যে আছে এবং মরদেহটি পাইপের ৭০ থেকে ৮০ ফুটের ভেতরে থাকতে পারে। মূল পাইপের পাশে খননের (ব্যুরিং) কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ সকাল থেকে পাইপ উত্তোলনের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আরও জানান, এ পাইপের ২০ ফুট অন্তর অন্তর ধারালো যন্ত্র দিয়ে কেটে কেটে তুলতে হবে। তাই ৮৫ ফুট গভীর পাইপ তুলতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দেবিদ্বার থানার এসআই শাহ কামাল আকন্দ জানান, সোমবার দিনভর জেলা শহরসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার জনতার ভীড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, ঘাতক আবদুল করিমের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী এ খুনের সাথে জড়িত অপর দুই আসামিকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে পুলিশের একাধিক টিমের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
