গাজীপুরের শ্রীপুরে শনিবারের সংঘর্ষে গুরুতর আহত ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন অবশেষে মারা গেছেন। ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে দু’দফা অস্ত্রোপচার শেষে লাইফ সাপোর্টে থাকাবস্থায় গত রবিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি মারা যান। গতকাল সোমবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ উজিলাব গ্রামের নিজ বাড়ীতে আনা হয়। পরে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন সবুজ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আ. জলিলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে আল আমিন আহত হন। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
এ ঘটনায় শ্রীপুরের সংসদ সদস্য এডভোকেট মো: রহমত আলী নিহত আল আমিনের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন, ‘আল আমিন হত্যাকারীদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।’ এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে উপজেলা বিএনপি।
এদিকে ওই সংঘর্ষের ঘটনায় ওই দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে রবিবার রাতে শ্রীপুর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশ এই দুই মামলায় গত দু’দিনে ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, রাতে শ্রীপুর থানার পুলিশ পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাশীর নামে ব্যাপক হয়রানি ও ঘরবাড়ির আসবাবপত্র তছনছ করা হয়। তবে পুলিশ জানায়, আসামি গ্রেফতারের জন্য স্পেশাল ফোর্স সম্ভাব্য আসামিদের বাড়িতে নিয়ম অনুযায়ী তল্লাশী চালিয়েছে।
