তৃতীয় দফায় অনুষ্ঠিত হবে রাঙ্গামাটি জেলার বৃহত্তর তিন উপজেলায় নির্বাচন। রাঙ্গামাটি জেলার প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চল বাঘাইছড়ি, বরকল ও কাউখালী। এসব উপজেলায় এখন নির্বাচনের জোয়ার বইছে। পাহাড় সেজেছে পোস্টার ও ফ্যাস্টুনে। বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় চলছে মাইকিং। আগামী ১৫ মার্চ নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন প্রচারণায় মরিয়া তিন উপজেলার চেয়ারম্যান পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। রাতদিন নির্ঘুম প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে তারা। গণসংযোগ, সভা, সমাবেশে মুখরিত পাহাড়ি এসব জনপদ। কাউখালী ও বরকলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলেও এই দুই বড় রাজনৈতিক দলের কোন প্রার্থী নেই বাঘাইছড়ি উপজেলায়। তবে নিজেদের স্থান দখলে রাখতে শক্ত অবস্থানে রয়েছে দুই আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ)। কাউখালীতে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদে মনোনীত প্রার্থী এসএম চৌধুরী লড়ছে (ঘোড়া)। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অমরেন্দ্র রোয়াজা (মোটর সাইকেল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্জুন মনি চাকমা লড়ছে (আনারস) প্রতীক নিয়ে। তাছাড়া বরকল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সন্তোষ চাকমা (দোয়াত কলম), জেএসএস মনোনীত মনি চাকমা (হেলিকপ্টার) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিহারী রঞ্জন চাকমা লড়ছেন (আনারস) প্রতীক নিয়ে। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী কমল জ্যোতি চাকমা লড়ছে (মোটর সাইকেল) প্রতীক নিয়ে। এদিকে বাঘাইছড়িতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়া চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দুই আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জেএসএস ও ইউপিডিএফ। সাথে আছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে এই দুই আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির বিদ্রোহী দল সংস্থারপন্থি (এমএন লারমা) মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সুদর্শন চাকমা লড়ছে (ঘোড়া) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএসের প্রার্থী বড়ঋশী চাকমা লড়ছেন (দোয়াত কলম) প্রতীক নিয়ে। তাছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী একজন বিশ্বজিত্ চাকমা লড়ছে (আনারস) প্রতীক নিয়ে।
