ক্রিকেটের জন্মলগ্ন থেকেই খেলাটির অন্যতম পরাশক্তি তারা। অথচ, চার চারটি আসর হয়ে যাবার পরেও ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট সংস্করণটির একটি শিরোপাও জিততে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আর আগামী ১৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের এবারের আসরেই সেই শিরোপা খরা ঘোচাতে চায় দলটি। অস্ট্রেলিয়ার এই দলের অন্যতম সেরা তারকা শেন ওয়াটসন গতকাল এই টুর্নামেন্টে তাদের লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে একথা বলেন।
শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত ২০১২ সালের আসরে সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে অস্ট্রেলিয়া বিদায় নিলেও সে আসরে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন ওয়াটসন। এই পেস বোলিং অলরাউন্ডারের দাবি টি-টোয়েন্টিতে দেশের ইতিহাসে সেরা দলটি নিয়েই বাংলাদেশে আসছেন তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চলমান সিরিজে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে তিনি বলেন, আমাদের বর্তমান দলটি এযাবত্ কালের সেরা। এমনকি ১০ নম্বর ব্যাটসম্যানেরও দারুণ কিছু উপহার দেয়ার ক্ষমতা আছে।’
দুর্দান্ত ফর্মে থাকা পেসার মিচেল জনসন, রায়ান হ্যারিসদের দিকে ইঙ্গিত করে ওয়াটসন বলেন, ‘বোলিংয়ে সেরা মানের কিছু বোলার আছে আমাদের। উদ্বোধনী থেকে শুরু করে শেষ দিকের ওভারগুলো কিংবা স্পিন বোলিংয়ের ক্ষেত্রেও আমাদের দুর্দান্ত কিছু বোলার আছে।’
তবে ওয়াটসন এটাও স্বীকার করছেন টি-টোয়েন্টিতে ফেভারিট বলে কিছু নেই। কারও একক পারফরম্যান্সই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে জানিয়ে ওয়াটসন বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট অবশ্যই পরিবর্তনশীল। তবে আপনার দলে যদি অনেক ম্যাচ উইনার থাকে তাহলে কেউ না কেউ দাঁড়িয়ে যাবেই। যেটা আমাদের দলে রয়েছে।’
ওয়াটসনের কথার প্রতিধ্বনি ঘটলো কোচ ড্যারেন লেহম্যানের কণ্ঠেও। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশেই ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লীগে বিভিন্ন দলকে চ্যাম্পিয়ন করা ড্যারেন লেহম্যান বর্তমানে অসি দলের কোচের দায়িত্ব নেয়ায় দলটি অন্যতম ফেভারিট হিসাবেই বাংলাদেশে আসবে। শিষ্যদের উপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন জানিয়ে এই সাবেক বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বলেন, ‘সব কিছু করার ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। যে কোন কন্ডিশনে, যে কারো বিপক্ষে সত্যিই আমরা ভাল করতে পারি।’
