ছোট ছেলে সাকিব বাবা শাহ জামালের হাত ধরে স্কুলে যাচ্ছিল। বুধবার সকালে পুরান ঢাকার নয়াবাজারে বাবুবাজার সেতুর কাছে তারা রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় হঠাত্ বেপরোয়া গতির একটি লেগুনা তাদের ধাক্কা দেয়। রাস্তায় ছিটকে পড়ে বাবা-ছেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিত্সকরা শাহ জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ লেগুনাটি আটক এবং চালককে গ্রেফতার করেছে।
আহত শিশু, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে সাকিব। বাবা-মায়ের সঙ্গে সে থাকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা এলাকার ১৩ নম্বর বাসায়। প্রতিদিন সকালে বাবা তাকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে ইসলামপুরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলে যান। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি সাকিবকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে বাবুবাজার সেতু এলাকায় ইউসুফ মার্কেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লেগুনার ধাক্কায় ছিটকে পড়ে প্রচণ্ড আঘাত পান কাপড় ব্যবসায়ী শাহ জামাল। আঘাত পায় সাকিবও। এ ঘটনায় একজন নারী পথচারী সামান্য আহত হন। তবে তার পরিচয় এবং তিনি কোথায় চিকিত্সা নেন তা জানা যায়নি।
এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই আশপাশের লোকজন লেগুনাটি আটক করে ভাংচুর এবং চালক লিটনকে মারধর করে। পুলিশ পরে চালককে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হাসান জানান, আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিত্সকরা জানান, শাহ জামাল পথেই মারা গেছেন। সাকিব শংকামুক্ত।
