ভিন গ্রহের প্রাণী, আত্মঘাতী পাইলট!

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৪, ২৩:১৫
নিখোঁজ হওয়ার ৫দিন পার হলেও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি মালয়েশিয়ার বিমানটির। তাইতো এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আছে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। আর এনিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা আসছে সামাজিক গণমাধ্যম টুইটারে এবং টুইটারে। কেউ বলছেন, বিমানের সবাই হয়তো এখন ভিন গ্রহের বাসিন্দা হয়ে গেছেন। ভিন গ্রহ থেকে কেউ এসে বিমানটি নিয়ে গেছে! আবার কেউ বলছেন, পাইলট আত্মঘাতী হয়েই কাজটি করেছেন। কিন্তু সত্যতা নেই কোনটির। তবে আলোচনা কিন্তু চলছেই। হয়তো অনেকদিন ধরেই চলবে। এমনকি বিমানটি পাওয়ার পরও। ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে গত শনিবার নিখোঁজ হয় মালয়েশিয়ার বোয়িং ৭৭৭। এরপর আর ফিরে আসেনি। একজন টুইটারে লিখেছেন, বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছে। সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক শত্রুতার কারণে কাজটি করা হয়েছে। একজন লিখেছেন, প্রযুক্তিবিদরা ট্র্যাকিং করে ছোট্র একটি স্মার্টফোনের খোঁজ পেতে পারেন। অথচ এত বড় একটা বিমানের খোঁজ পাবেন না? স্যাল এইচ নামের একজন লিখেছেন, উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তির এই যুগে কোনো কিছুরই নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এটা কেবলই মাত্র ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। জন পল গ্যাথিয়ারের মতে, বিমানটির গঠন কাঠামো অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। পাইলট আত্মঘাতী হয়েই কাজটি করেছেন। ক্রিসের মতে, ভীন গ্রহের কেউ এসে বিমানটিকে নিয়ে গেছেন অন্য গ্রহে। তারা সবাই ভীন গ্রহের বাসিন্দা হয়ে গেছেন। একই মত ড. অ্যাদেলিত্তায়ারও। তার মতে, এরকম কিছু ঘটলে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। তবে সব অনিশ্চয়তাকে দূরে ঠেলে টুইটারে একজন লিখেছেন, বিমানটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গালে চলে গেছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গালকে ডেভিল’স ট্রায়াঙ্গালও বলা হয়। এখানে নাকি আগে অনেক বিমান গিয়ে আর ফিরে আসেনি। বারমুডা ট্রায়াঙ্গাল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমে অবস্থিত। তবে বিশেষজ্ঞরা এই সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন। তাদের মতে, এর বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই!