রকেট হামলার জবাবে গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলা

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৪, ২১:২০
ইসলামিক জিহাদের রকেট হামলার জবাবে ২৯টি ফিলিস্তিনি লক্ষ্যবস্তুতে বুধবার ইসরাইল বিমান হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার পর জাতিসংঘ মহাসচিব উভয়পক্ষকে সংযত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। এদিকে, ইসরাইল ও পশ্চিম তীর সফরে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ফিলিস্তিনি প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকরা বলেছেন, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো মঙ্গলবার রাতে হামাস সরকার এবং ইসলামিক জিহাদের সশস্ত্র শাখার ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালায়। গাজার নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের হামলার আশঙ্কায় হামাসের ঘাঁটিগুলো খালি করা হয়েছে। এদিকে, ইসরাইলি কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরাইলের দক্ষিণে কমপক্ষে ৩০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, জনবহুল শহরাঞ্চলের বেসামরিক এলাকায় পাঁচটি রকেট আঘাত হানে। ইতোমধ্যে ইসলামিক জিহাদের সশস্ত্র শাখা আল-কুদস ব্রিগেড ইসরাইলের অভ্যন্তরে রকেট হামলার দায় স্বীকার করেছে। উভয়পক্ষের এই হামলায় তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ইসরাইল ইতিমধ্যে গাজা উপত্যকার সংযোগস্থল বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। ‘দ্যা ভয়েস অব ইসরাইল’ পত্রিকায় বলা হয়েছে, রকেট হামলার প্রতিক্রিয়ায় সীমান্তের কাছাকাছি ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) মোতায়েন করা হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালুনকে উদ্ধৃত করে পত্রিকাটি বলেছে, সহিংসতা বৃদ্ধির জন্য ইসরাইল হামাসকে দায়ী মনে করে এবং এর জন্য ‘অনেক মূল্য দিতে’ হবে। এদিকে, হামাসও একইরকম একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ইহুদিবাদী আগ্রাসনের জবাবে আমাদের মুজাহিদরা রকেটগুলোর বিস্ফোরণ ঘটায়’। এরকম যুদ্ধভাবাপন্ন পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষকে সংযত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। এদিকে, ইসরাইল ও পশ্চিত তীর সফররত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করার ব্যাপারে আলোচনা করার কথা রয়েছে।