রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘হায়দার বাবা’ বা ‘হাঁটা বাবা’ নামে পরিচিত ব্যক্তি জুলফিকার হায়দার (৯৪) চিকিত্সাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে জাতীয় হূদরোগ ইন্সটিটিউটে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ... রাজেউন)। তার বড় ছেলে জাবেদ আখতার হায়দার এ খবর নিশ্চিত করেছেন। পরে তাকে দাফনের বিষয়ে কবর স্থান নির্ধারণ নিয়ে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। ভক্তদের কাছে পীর হিসাবে পরিচিত জুলফিকার হায়দারকে সঙ্গী পরিবেষ্টিত হয়ে রাস্তায় বিরতিহীন হাঁটতে দেখা যেত বলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ‘হায়দার বাবা’ বা ‘হাঁটা বাবা’ নামে ডাকতেন।
জুলফিকার হায়দারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গতকাল দুপুরে ভক্তরা তাজমহল রোড মোহাম্মদপুর ঈদগাহ জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে ছুটে আসেন। মাঠের মাঝখানে ‘হাঁটা বাবা’কে কবর দেয়ার দাবি জানান তারা। কিন্তু মসজিদ কমিটি ওই মাঠের পাশে তাজমহল রোড কবরস্থানে জুলফিকার হায়দারকে কবর দেয়ার ঘোষণা দিলে ভক্তরা হট্টগোল শুরু করে। এক পর্যায়ে কয়েকশ ভক্তের সঙ্গে স্থানীয়দের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করে। মোহাম্মদপুর ঈদগাহ জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, মাঠে নয়; কবরস্থানের উত্তর-পূর্ব কোণায় জুলফিকার হায়দারের কবর হবে।
