আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, দশম সংসদ নির্বাচন ছিল সংবিধান সম্মত। সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন বিকল্প ছিল না। কিন্তু পশ্চিমা একটি দেশ এই নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান বিরোধী কথা বলছে। অবশ্য ওই দেশটি একাত্তরেও আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কৃষি মন্ত্রী এ কথা বলেন। মতিয়া চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় সিনেট নির্বাচনেও এক-তৃতীয়াংশ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। রাজ্য প্রতিনিধি পরিষদেও একই অবস্থা। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বৃহত্ গণতান্ত্রিক দেশে এরকম নজির রয়েছে সেখানে বাংলাদেশে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া দোষের হবে কেন? তাছাড়া বাংলাদেশে এই নির্বাচন তো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল। এ প্রসঙ্গে কৃষি মন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচন সম্পূর্ণ আইনসিদ্ধ। অথচ সেটিকে বলা হচ্ছে অবৈধ। তাহলে বৈধ কোনটি?
মতিয়া চৌধুরী বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আগে দীর্ঘ ১৫ মাস এনিয়ে বিশেষ কমিটি সবার সাথে কথা বলেছে। তখনো বিএনপিকে বারবার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা সাড়া দেয়নি। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের ছাড় দেয়া হয়েছিল। কোন প্রস্তাবেই তখনকার বিরোধী দল রাজি হয়নি। সুতরাং কথা বলার আগে বিদেশি বন্ধুদের এ বিষয়গুলো মাথায় রাখা দরকার।
