জয়িতা স্বীকৃতি পাওয়া নারী

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০১৪, ২০:২৭
সুফিয়া বেগম। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্য। বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে বিশেষ অবদান রাখায় তাকে জয়িতা নারী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। অথচ এই সুফিয়াকেই একদিন নানা গঞ্জনার শিকার হতে হয়েছে। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এমন ১৮৩ জন নারীকে সাভারের গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র মিলনায়তনে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে সম্প্রতি সংবর্ধনা দেয়া হয়। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মুসুরিয়া গ্রামের ফিরোজা বেগম। জীবনযুদ্ধে জয়ী এক সফল নারী। কিন্তু একদিন তাকে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। অ্যাসিডে ঝলসে দেয়া হয়েছিল তার মুখমন্ডল। কিন্তু ভয়ংকর সেই অ্যাসিড-সন্ত্রাস তাকে দমাতে পারেনি। এখন স্বামী-সন্তান নিয়ে তার সুখের সংসার। তিনি এখন বাংলাদেশের জয়িতা নারীদের একজন। ফিরোজা বেগম তার কষ্ট আর সফলতার বর্ণনা দেন এভাবে, ১৯৯০ সালে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রতিবেশি এক বখাটে আমার মুখণ্ডল অ্যাসিডে ঝলসে দিয়েছিল। দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন থেকে প্রায় সুস্থ হয়ে ১৯৯৫ সালে বাড়ি ফিরি। পরে পাশের চৌধুরীডাঙ্গা গ্রামের আবদুল করিমের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর ব্র্যাক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে স্বামী আর সন্তানদের নিয়ে বেশ সুখে আছি।