বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিং ও টিকিট জালিয়াতির ঘটনা যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা গত ২০১১ সালের চেয়েও এবার আরো বেশি কার্যকর হয়েছে। এবার আরো বেশি নতুন নতুন নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ। গতকাল রবিবার ডিএমপি মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল জলিল, ইব্রাহীম ফাতেমী, জয়েন্ট কমিশনার (ডিবি) মো. মনিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৬টি পুরুষ দল এবং ১০টি মহিলা দলসহ মোট ২৬টি দল অংশগ্রহণ করছে। খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিসিয়ালস, বিদেশি দর্শকসহ সকলের নিরাপত্তার দিকেই আমাদের লক্ষ্য থাকবে।
ডিএমপি কমিশনার যেসব সংস্থা রাজধানীর উন্নয়নমূলক কাজে জড়িত রয়েছে তাদের বিশ্বকাপ ক্রিকেট চলাকালীন নির্মাণ কাজ দিনের বেলা না করে রাতের বেলায় করতে আহ্বান জানান। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোকপাত করে ডিসি (মিরপুর) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৬ স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্টেডিয়াম এলাকার পুরো এক কিলোমিটার জুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, আইসিসি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে সকল দর্শক খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে যাবেন তাদেরকে ভিডিও ক্যামেরা বা হেডফোন, ব্যানার, ফেস্টুন, বাঁশি, দিয়াশলাই, লেজার পয়েন্ট, লাঠি, ছুরি, পানির বোতল বা খাবার, কোমল পানীয়, বাইসাইকেল বা মোটর সাইকেল, যে কোনো ধরনের কৌটা, যে কোনো ধরনের ফল, রাসায়নিক দ্রব্য, যে কোনো ধরনের পাউডার ও যে কোনো ধরনের সন্দেহজনক সামগ্রী সাথে আনতে পারবেন না। এ সময় তিনি সকলকে স্টেডিয়ামে প্রবেশের ক্ষেত্রে নির্দেশনাগুলো মেনে চলার অনুরোধ জানান।
