এমপিওভুক্তির আবেদন

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৪, ২১:৪২
বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অনুপাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। অন্যদিকে ব্যক্তি মালিকানাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যাপক হারে গড়ে উঠেছে। সেখানে বাণিজ্যিক চিন্তা-ভাবনা বেশি থাকে। এতে শিক্ষা ব্যয়ও বেশি। গরিব ও স্বল্প আয়ের মানুষের সন্তানদের এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া সম্ভব হয় না। অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভূমি প্রদান করতে হয়, যথাযথ শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে হয়, ন্যূনতম গৃহ নির্মাণ করতে হয়, আসবাবপত্র নিজেদের সংগ্রহ করতে হয়, সরকারি বিধান অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করতে হয়। যেখানে এসব স্বউদ্যোগে করতে হয়। বর্তমানে এমপিওভুক্ত নয় এমন বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসব নিয়ম-নীতির মধ্যে রয়েছে। কিন্তু বেতনভাতাদি না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অন্য চাকরিতে যাবার বয়সও নেই। অনেকের জীবন থেকে ৩৫-৪০ বছর চলে গেছে। এছাড়া অতীতে মানুষের ভূসম্পত্তি বেশি ছিল। বর্তমানে ভাগাভাগিসহ বিভিন্ন কারণে মাথাপিছু জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দাতা পাওয়া মুশকিল। স্থাপিত প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখা দরকার। কর্মরতরা দীর্ঘদিন থেকে বেতন-ভাতা না পেয়ে যেন আজ আধমরা। তাদের এই অবস্থা থেকে উত্তরণ করা দরকার। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কঙ্কন সরকার, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা