দলে আছেন মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারার মতো দুই কিংবদন্তীতূল্য শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক। আছেন তিলকরত্নে দিলশান ও অ্যাঞ্জোলো ম্যাথুসের মতো অভিজ্ঞ অধিনায়কও। কিন্তু এই চার জনের উপস্থিতিতেও শ্রীলঙ্কা দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেবেন এশিয়া কাপের শেষ দিকে পারফরম্যান্সের কারণে দলেরই জায়গা হারানো দিনেশ চান্দিমাল।
শ্রীলঙ্কার অন্যতম ভবিষ্যত বলে বিবেচিত চান্দিমাল নিজে অবশ্য এসব কথাবার্তায় বিব্রত নন। তার মনে বরং এই চার অধিনায়কের উপস্থিতি তাকে মাঠে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। আর নিজের পারফরম্যান্সও ইতিবাচক হবে বলে তার বিশ্বাস, ‘এরকম সাবেকরা দলে থাকাটা জন্য আমার জন্য বরং ইতিবাচক। আমি মাঠে যে কোনো পরিস্থিতিতে সেরা সিদ্ধান্ত নিতে তাদের পরামর্শ পেতে পারি। আর আমি এশিয়া কাপের দু ম্যাচের পর এখন আরও ভালো ফর্মে দলে ফিরবো বলেই আশাবাদী।’বড় করে দেখলে দিনেশ চান্দিমালকে শুধু চার অধিনায়কের উপস্থিতি নয়, হাজার ধরণের চাপ সামলাতে হবে। শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ সালের পর ট্রফি জিততে পারুক আর নাই পারুক, আইসিসি ইভেন্টের ফাইনাল খেলাটা অভ্যেসে পরিণত করেছে। এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেরও সর্বশেষ তিন আসবের মধ্যে দুটি আসরের ফাইনালিস্ট তারা। ফলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া পরের কথা, অন্তত ফাইনাল খেলার ধারাটা ধরে রাখাটা তার জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সেটা মেনে নিয়েও চান্দিমাল বললেন, ‘এটা সময়ই বলে দেবে। এই ফরম্যাটে কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। আমরা সেরা খেলাটা খেলবো। তারপর ফল কী আসে, দেখা যাক।’
