আটিয়া বন অধ্যাদেশ সমস্যা সমাধান হবে

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৪, ২২:৫১
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের উপ-নির্বাচন প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জেপি) কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত মহাসচিব সাদেক সিদ্দিকী বলেছেন, আমার দলের প্রধান বর্তমান সরকারের পরিবেশ ও বনমন্ত্রী। আমি নির্বাচিত হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে সখীপুর-বাসাইলবাসীর প্রধান মরণফাঁদ আটিয়া বন অধ্যাদেশ-৮২-এর সমস্যার সমাধান হবে। মানুষের কল্যাণে আমি কাজ করতে চাই। আপনাদের ভাগ্য উন্নয়নে আপনারাই সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারেন। জেপি নেতা সাদেক সিদ্দিকী গতকাল সোমবার টাঙ্গাইল-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে সখীপুরের কুতুবপুর, বড়চওনা, কালিয়া, কচুয়া, গজারিয়া, শালগ্রামপুর, ইছাদীঘিসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি দলীয় প্রতীক বাইসাইকেলে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাস-দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনই হবে আমার প্রথম কাজ। স্বাধীনতার পর এ আসনে অনেক জনপ্রতিনিধি আপনারা নির্বাচিত করেছেন। অতীতে যারা এ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন তারা এলাকার উন্নয়নে সঠিক ভূমিকা পালন করেন নাই। তারা নিজেদের উন্নয়ন ছাড়া কিছুই যে করেন নাই তা সখীপুর-বাসাইলের সার্বিক চিত্রই প্রমাণ করে। এ এলাকায় একটি শিল্প-কলকারখানা গড়ে উঠে নাই। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই—তাহলে কীভাবে বেকারত্ব দূর হবে। এলাকাবাসী নানামুখী সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। জনগণকে উদ্দেশ করে তিনি আরো বলেন, আপনাদের কাছে শুনছি এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে গণতন্ত্রের জন্য শুভ হবে না। বক্তৃতাকালে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি আহ্বান জানান। পথসভা ও গণসংযোগকালে জেপির জেলা-উপজেলাসহ তৃণমূলের নেতা-কর্মী আইয়ুব আলী পাঠান, আতোয়ার রহমান, সানোয়ার রায়হান, অধ্যাপক মোস্তফা কামাল, ইকবাল হোসেন, আহমেদ হোসেন খান, শরিফুল ইসলাম, ঝান্ডা চাকলাদার, এম এ আওয়াল, আবুল আল-আসাদ, এম এ রহিম বিএসসি, আঁখি মনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সখীপুর প্রেসক্লাবে গতকাল সন্ধ্যায় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে তিনি মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে সোচ্চার থাকতে তিনি আহ্বান জানান।