বরিশালের ৩ উপজেলায় জামানত হারাচ্ছেন ২৫ প্রার্থী

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৪, ২২:৫৩
উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় পর্বে জেলার বাবুগঞ্জ, হিজলা ও মুলাদী উপজেলার ৫০ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জনই জামানত হারাচ্ছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের মধ্যে ২৫ প্রার্থী মোট ভোট প্রদানকারীদের ৮ ভাগ সমর্থনও পাননি। ৩ উপজেলায় এবার চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন ১৯ জন। এদের মধ্যে ১০ জনই জামানত হারাচ্ছেন। এদের মধ্যে মুলাদীর বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান ও বাবুগঞ্জের বিএনপি চেয়াম্যান প্রার্থী কামরুল হাসান হিমু খান ছাড়াও হিজলা-মুলাদীর দু’জন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ৩১ জনের মধ্যে ১৫ জনই জামানত হারাচ্ছেন বলে জানা গেছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যে ভোট পড়েছে তার ৮ ভাগেরও কম ভোট পেয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলার বিএনপি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল আহসান খান হিমু, ওয়ার্কার্স পার্টির সমর্থিত প্রার্থী বজলুর রহমান মাস্টার ও মিজানুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিসুর রহমান খান, জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, সামসুজ্জামান, রত্তন আলী শরীফ, নূর উদ্দিন খান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সালমা আক্তার। হিজলা উপজেলায় ৮ ভাগেরও কম ভোট পেয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস বেপারী, একেএম আবদুল কাইয়ুম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দলিলুর রহমান সিকদার। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি সমর্থিত নুরুল আলম রাজু, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমা বেগম, রুমা খাতুন ও শারমিন নাহার মুক্তা। মুলাদী উপজেলার যারা ৮ ভাগের এক ভাগ ভোটও পায়নি বিএনপি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস ছত্তার খান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মালেক মিয়া, আব্দুল মজিদ ও বেল্লাল হোসেন রয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তরিকুল ইসলাম দিপু, দেলোয়ার হোসেন, হুমায়ুন রাশেদ কবির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদা আক্তার ও শারমিন। রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। উল্লেখিত প্রার্থীদের সে অনুযায়ীই জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে বলে তিনি জানান। যদিও জামানত হারানো প্রার্থীরা নির্বাচনে কারচুপি, কেন্দ্র দখলসহ নানান অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। সেক্ষেত্রে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলেছেন।