টিম গ্রুইজটার্সের বোমার হাত থেকে আপাতত হয়তো রক্ষা পেল কোনিনক্লিজকে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ড (কেএনসিবি)। গ্রুইজটার্সকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে ডাচ বোর্ড নিয়ম বিরুদ্ধ কোন কাজ করেনি বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। গতকাল এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি এ বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। চোট সমস্যা না থাকলেও অন্য আরেকজনকে দলে নেয়ার জন্য তাকে চোটের মিথ্যা অজুহাতে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে গতকাল সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে এক ভিডিওতে অভিযোগ করেন গ্রুইজটার্স।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান জিওফ অ্যালারডিস বলেন, ‘আগে ঘোষিত দলের কোন খেলোয়াড় যদি চোটে আক্রান্ত হয়, আর তার বদলে যদি নতুন কাউকে তারা দলে নিতে চায় তাহলে একটি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেটা করতে হবে। চোট পাওয়া টিম গ্রুইজটার্সের ক্ষেত্রে কেএনসিবি সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেছে। তাছাড়া, তার চোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে স্বাধীন একটি চিকিত্সক দলেরও সাহায্য নেয়া হয়েছে। তারা যেভাবে কাজটি করেছে তাতে আইসিসি তাদের উপর সন্তুষ্ট।’
আইসিসি এ বিষয়ে আর হস্তক্ষেপ করবে না বলেও জানিয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি।
ডাচ দলের সাথে বাংলাদেশেও এসেও গত ১৫ তারিখ দেশে ফিরে যেতে হয় ব্যাটসম্যান গ্রুইজটার্সকে। তার বদলে ১৬ মার্চ দলের সঙ্গে যোগ দেন টম কুপার্স। এই পরিবর্তনের কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয় গ্রুইজটার্সের চোটের কথা।
নেদারল্যান্ডসের কোচিং স্টাফদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে গ্রুইজটার্স বলেন, ‘ডাচ ক্রিকেট দলে আমি খেলতাম। তবে কোচিং স্টাফদের নিয়মভঙ্গের কারণেই আমার খেলা হয়নি। তারা এমন একটা কাজ করেছে যেটি কিনা ক্রিকেটের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। এক কথায় বলা যায় তারা প্রতারণা করেছে।’ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবার আগে নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেট বোর্ডের জন্য বড় ধরনের একটা ধাক্কাই হয়ে আসে বিষয়টি।
ইউটিউবে প্রচারিত ঐ ভিডিওতে নিজের দাবির পক্ষে যুক্তিও উপস্থাপন করেন গ্রুইজটার্স। এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় শেফিল্ড শিল্ডের ফাইনালে কুপার্সের দল উঠতে না পারায় হঠাত্ করেই তাকে দলে নেয়ার সুযোগ পায় ডাচরা। আর সেটাকে কাজে লাগাতেই এই চোট নাটকের আয়োজন করেন কোচিং সদস্যরা।’
