সাতকানিয়ায় বনায়নের জন্য নার্সারি

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৪, ২০:১১
‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ সরকারের এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ বন বিভাগ প্রান্তিক জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বনায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে নার্সারি করে বনায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সাতকানিয়ার বাজালিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত বড়দুয়ারা বিট কাম চেক স্টেশন কর্মকর্তা। বংলাদেশ বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট পার্টিসিপেটরি এফরেস্ট্রশন এন্ড রিফারেস্ট্রেশন প্রজেক্ট (সিআরপিএ-আরপি) এর আওতায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশের নির্দেশে বড় দুয়ারা বিট কর্মকর্তা ৩ ব্লক পুরানগড়, বড় দুয়ারা ও মাহালিয়া এলাকায় ৬ হাজার ১৪৬ একর বন ভূমিতে পর্যায়ক্রমে বনায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে পুরানগড় ব্লকের বন ভূমিতে ১ লাখ ১০ হাজার চারার মধ্যে ওষুধি, বনজ, ফলদ ও বিলুপ্ত প্রজতির চারা রোপণ করা হবে। এ লক্ষ্যে পুরানগড় ব্লকে চারা রোপণের জন্য নার্সারি স্থাপন করা হয়েছে। এ চারাগুলো ১০০ একর বন ভূমিতে রোপণ করা হবে। এর মধ্যে আছে ওষুধি ও ফলদ অর্জুন, আমলকি, বহেরা, হরিতকি, জলপাই, বনজ আকাশমনি, গামার, চিকরাশি, শিমুল এবং বিলুপ্ত প্রজাতির চারার মধ্যে রয়েছে কদম, তুন, হলদু ও ছাতিয়ান। চলতি বছরের জুলাই মাসে চারা রোপণের জন্য পুরানগড় ব্লকে স্থাপিত নার্সারিতে মহিলা ও পুরুষ শ্রমিকরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। বড় দুয়ারা বনবিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে তাদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য বর্তমান সরকার ২০১৩-১৪ সালে এ প্রকল্পটি চালু করেন। তিনি বলেন, চলতি বছরের জুলাই মাসে চারা রোপণের কাজ শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে বড় দুয়ারা ও মাহালিয়া ব্লকেও পুরানগড় ব্লকের মত নার্সারি করে বনায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের এ কার্যক্রম প্রধান বন সংরক্ষক (সিসিএফ) ইউনুছ আলী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক আকরব হোসেন ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশ পরিদর্শন করে সন্তোস প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশ বলেন, বাংলাদেশ বন বিভাগের সিআরপিএআরপি আওতায় ২০১৩-১৪ সাল থেকে বাগান সৃজনের জন্য দেশের পটুয়াখালী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সামাজিক বনায়ন করে দরিদ্র লোককে স্বাবলম্বী করা হবে। পাশাপাশি উপকার হবে পরিবেশেরও।