জ্বালানিসহ অনেক ক্ষেত্রেই রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের নিবিড় অর্থনৈতিক সম্পর্ক। চলমান ইউক্রেন সংকটের জের ধরে মস্কোর উপর আরও কড়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে ইউরোপেরও ক্ষতি হতে পারে।
প্রায় তিন সপ্তাহ পর সোমবার ইউরোপের পুঁজিবাজার অনেকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল। তবে মঙ্গলবারই আবার দরপতন ঘটেছে। রাশিয়ার ওপর ইউরোপ ও আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এখনও তেমন কড়া না হলেও ধাপে ধাপে তার মাত্রা বাড়ানো হতে পারে। উত্তেজনা আরও বাড়লে ইউরোপের অর্থনীতির উপর নতুন করে চাপের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।
আসন্ন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে ব্যাংকিং ইউনিয়ন নিয়ে অগ্রগতির চেষ্টা চলছে। কিন্তু জার্মান ব্যাংকিং সংগঠন বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, কোনো ব্যাংক নির্ধারিত কিছু স্ট্রেস টেস্ট পাস করলেই তার অস্তিত্ব নিশ্চিত এমনটা সবক্ষেত্রে মনে করার কারণ নেই।
একদিকে সংস্কার, অন্যদিকে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করায় ইটালির অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে জার্মানি আশা করছে।পরবর্তী কিস্তির আর্থিক সহায়তা পেতে গ্রিস এখনো আন্তর্জাতিক দাতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। স্পেন অতীতের দুর্বলতা ঝেড়ে ফেলে চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে কমপক্ষে ০ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করছে।
