ইসির হস্তক্ষেপ চেয়ে প্রার্থীদের আবেদন

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৪, ২২:৪৭
চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছেন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন প্রার্থী। লিখিত আবেদনে তারা দ্বিতীয়-তৃতীয় ধাপের মতো সামনের ধাপেও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হওয়ার আংশকা করেছেন। এজন্য তারা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে কমিশন বলছে, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক ইত্তেফাককে বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেসব অভিযোগ আসছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশা করছি সামনের ধাপে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনই চতুর্থ ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য কমিশনে আবেদন করেছেন প্রার্থীরা। ভুক্তভোগী প্রার্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে বাধ্য হয়ে কমিশনে অভিযোগ নিয়ে আসছেন। বেশিরভাই অভিযোগই আচরণবিধি ভঙ্গের। কোথাও প্রভাবশালী প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার ছেঁড়া, মারধর ও কেন্দ্র দখলের আবার কোথাও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারীরা। কমিশনে অভিযোগকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ ইকরামুল আলম, যশোরের সদরের চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম রেজার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট দেলোয়ার হোসেন খোকন, বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরার কলারোয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী বজলুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম মুকুল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিলুফার ইয়াসমীনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মো. রকিব মোল্লা। এছাড়াও ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডের আচরণবিধি লংঘন, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী লিখিত অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি রাজশাহী, খুলনা, পটুয়াখালী, টাঙ্গাইল ও চট্টগ্রাম থেকে বেশ কয়েকজন প্রার্থী কমিশনে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আবেদন করেছেন। ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তার পরে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।