লিবিয়ায় ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ সহায়তার জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছে দেশটির সরকার। পূর্বাঞ্চলীয় নগরী বেনগাজিতে বোমাবাজি ও গুপ্তহত্যা এবং লিবিয়ার মধ্যাঞ্চলে প্রধান তেলবন্দরগুলোর দখল নিয়ে সরকার সমর্থক বাহিনী ও বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের মধ্যে সংঘর্ষের পর গত বুধবার সাহায্যের এ আহবান জানানো হলো।
২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়ায় চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীলতার ব্যাপকতা বন্ধে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির সরকার। সশস্ত্র গ্রুপগুলো গাদ্দাফিকে উত্খাতের সময় সহায়তা করলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখন তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে একেবারেই অক্ষম। ঐ গ্রুপগুলো তেলসম্পদ এবং ক্ষমতা দখলের জন্য অস্ত্রধারণ করে আছে। বুধবার বিকেলে লিবিয়ার সরকার এর ওয়েবসাইটে দেয়া বিবৃতিতে বলেছে, ‘সন্ত্রাস নির্মূলে সহায়তা দেয়ার জন্য লিবিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়, বিশেষভাবে জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানায়’।
এতে আরো বল হয়, ‘সরকার নিশ্চিত করছে যে, তারা যত দ্রুত সম্ভব সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে চায়’। তবে তারা কোন ধরনের সহায়তা প্রত্যাশা করছে তা বলেনি লিবিয়ার দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকার। উল্লেখ্য, পশ্চিমা, আরব ও আফ্রিকান দেশগুলো একটি সেনাবাহিনী এবং পুলিশ তৈরির জন্য লিবিয়ানদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গেলেও এর অগ্রগতি খুব ধীর।
