ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবস শেয়ারদর পতনের ফলে সার্বিক মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে। পিই রেশিও কমায় বিনিয়োগে ঝুঁকি কমছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সপ্তাহশেষে ডিএসই’র সার্বিক পিই কমেছে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ বা ০.২৬ পয়েন্ট। গত সপ্তাহশেষে ডিএসইর সার্বিক পিই রেশিও ১৬ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে। আর আগের সপ্তাহশেষে তা ছিল ১৬ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে।
বাজারের সার্বিক পিই রেশিও ১৫ এর মধ্যে থাকা বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে ১৬/১৭ পয়েন্টের মধ্যে পিই অবস্থান করাও বিনিয়োগের জন্য কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা। ক্যাটাগরি ভিত্তিক পিই’র হিসাবে সপ্তাহশেষে ‘এ’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৭ দশমিক ১৯ পয়েন্টে, ‘বি’ ক্যাটাগরির ঋণাত্মক ৯ দশমিক ১৯ পয়েন্টে, ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৩০ দশমকি ৭ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ২৫ দশমিক ৯১ পয়েন্টে।
খাতভিত্তিক পিই’র হিসেবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ১৩ দশমিক ২৮ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ২৪ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ২১ দশমিক ৯৫ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৮ দশমিক ২৮, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের ১২ দশমিক ১৫, পাট খাতের ১৪২ দশমিক ৯০, বস্ত্র খাতের ১৭ দশমিক ২৯, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২২ দশমিক ৪১, সেবা ও আবাসন খাতের ৩০ দশমকি ৩৬, সিমেন্ট খাতের ১৮ দশমিক ২৯, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৩ দশমিক ২৪, চামড়া খাতের ১৯ দশমিক ৪, সিরামিক খাতের ২৪ দশমিক ৫৭, বীমা খাতের ২৭ দশমিক ৬১, বিবিধি খাতের ২৭ দশমিক ৮৭, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ১১০ দশমিক ৭১, টেলিকমিউনিকেশন খাতের ২০ দশমিক ৯০ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের পিই অবস্থান করছে ১৯ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে।
