অগ্রণী ব্যাংকের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত সরকারিভাবে চিহ্নিত ৩১টি রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে পুনর্বাসনের দাবি করেছেন বাংলাদেশ স্পেশালাইজড মিলস এন্ড পাওয়ারলুম ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশন (বিএসটিএমপিআইএ)। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএসটিএমএ সভাপতি আজিজুল হক, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ লাভলু, ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাইদ মিয়া, ফরহাদ হোসেন, আবুল হাসেম, পরিচালক মো. আব্দুল হাই ভুইয়া, সালাউদ্দিন আহমেদ, নূর হাফিজসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আজিজুল হক বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারনে এক হাজার ৫৮৫টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রুগ্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে বিএসটিএমপিআইএ‘র অন্তর্ভুক্ত ১০৮টি বস্ত্রবয়ণ ও পক্রিয়াকরণ শিল্প। সরকার ২০০৮-৯ অর্থ বাজেটে রুগ্ন শিল্পের সমস্যা সমাধানের জন্য বাজেট থেকে অর্থ বরাদ্দ রাখে এবং এই শিল্পের পুনর্বাসনের জন্য ‘কার্যকর পর্ষদ’ নামে একটি পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল। কার্যকর পর্ষদ, তৈরি পোশাক শিল্পের ২৭০টি এবং বস্ত্রখাতের ১০৮টি রুগ্ন শিল্পের বেইল আউট বিষয়ে সরকারের পক্ষে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে। অর্থমন্ত্রনালয় থেকে ১০৮টি রুগ্ন শিল্পকে বেইল আউটের সুযোগ দেয়ার জন্য একটি সার্কুলার জারী করে এ পর্ষদ।
ওই সার্কুলারের আওতায় অগ্রণী ব্যাংক ছাড়া রাষ্ট্রায়াত্ব সকল প্রতিষ্ঠান কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। বেইল আউট কার্যকরে অগ্রণী ব্যাংকের অনিহা রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল হাসেম বলেন, যখন আমাদের শিল্প রুগ্ন ঘোষণা করা হয় তখন এর ঋণ ছিল ২৬ কোটি টাকা। এখন সুদের কারণে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ কোটি টাকা।
