জাপানের বিনিয়োগকারীদের খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি, যোগাযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগের আহবান জানালো ডিসিসিআই। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), ঢাকা যৌথভাবে গতকাল “বিজসেন ক্লাইমেট ইন এশিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ পজিশন” শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে। পরিকল্পনা সচিব ভূইয়া শফিকুল ইসলাম সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খানের সভাপতিত্বে পরিচালিত এ সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে জেট্রো’র- বাংলাদেশ আবাসিক প্রতিনিধি কেই কাওয়ানো উপস্থিত ছিলেন।
ডিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান জানান, জাপানে রফতানিকৃত মোট পণ্যের ৯০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৭-৮টি পণ্যে। এজন্য তিনি বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের চিংড়ি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈরী পোষাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, ইত্যাদি আরো বেশি হারে রফতানির পাশাপাশি রফতানিযোগ্য পণ্যের বহুমুখীকরনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।সেমিনারে জেট্রো (ব্যাংকক)’র সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিরোটোসি ইটো এবং জেট্রো (নয়াদিল্লী)’র পরিচালক এবং শিল্প গবেষক ইচিরো এ্যাবে যথাক্রমে “রিজিওন্যাল ইকোনোমিক ইন্টিগ্রেশন ইন এশিয়া” এবং “জাপানীজ বিজনেস অ্যান্ড এমইটিআই স্ট্র্যাটিজি ইন সাউথ এশিয়া” বিষয়ক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধেসমূহে উল্লেখ করা হয়, ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী জাপানি ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৮০% ব্যবসায়ী নিজেদের ব্যবসায়িক কর্মকান্ড আরোও সম্প্রসারণে আগ্রহী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা সচিব ভূইয়া শফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ইকোনোমিক জোন স্থাপনের ক্ষেত্রে জাপানের বিনিয়োগকারীদের আহবান জানান।
