এবার বাংলাদেশের পালা!

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৪, ২১:৪৩
২০১২ সালের নভেম্বর মাস। সদ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে এসেও সেই একই আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাসে মরচে ধরতে সময় নিল না। ঢাকা টেস্টে খাদের কিনারা থেকে বিধ্বংসী এক স্পেল দিয়ে ৭৭ রানের জয় ছিনিয়ে আনলেন পেসার টিনো বেস্ট। ওয়ানডে সিরিজে আরও যাচ্ছেতাই অবস্থা! হোয়াইট ওয়াশ কোনোক্রমে এড়িয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ হারের লজ্জা নিয়েই ফিরতে হলো ড্যারেন স্যামির দলকে। এক নিমিষে মলিন হয়ে গেল বিশ্বজয়ের গৌরব। সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্স দেখলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের এমন আরও নজিরই পাওয়া যাবে। আর লড়াইটা যখন টি-টোয়েন্টির তখন লড়াইটা হবে সমানে সমান। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত চারটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে দুদল। দুদলই জিতেছে সমান দুটি করে ম্যাচ। আর বিশ্বকাপে একবারই মুখোমুখি হয়ে জয়ী দলের নাম বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যাত্রাটা শুরু হয়েছিল এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই। ২০০৭ সালের সেই ম্যাচে জোহানেসবার্গে বাংলাদেশ জয় পেয়েছিল ছয় উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। দুবছর বাদে অবশ্য নিজেদের দেশে ডেকে এনে সেই জয় ফিরিয়ে দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১১ সালে বোর্ডের সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে মূল সদস্যদের কেউই খেলেননি বাংলাদেশের বিপক্ষে। দ্বিতীয় সারির দলটির বিপক্ষে এক মাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছাড়া সবগুলোতেই জিতেছিল বাংলাদেশ। এক বছর বাদে এই মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের ৪১ রানের বীরোচিত এক ইনিংসে ভর করে জিতেছিল বাংলাদেশ। এর ঠিক এক বছর বাদে আবারও একই ভেন্যুতে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ম্যাচে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ১৩২ রানের জুটিও জয় ছিনিয়ে আনতে পারেনি। হারতে হয় ১৮ রানের ব্যবধানে। দেড় বছর বাদে আবারও সামনে সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আবারও সেই মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বাংলাদেশ কি পারবে সর্বশেষ হারটি ফিরিয়ে দিতে? সেই চার ম্যাচ তারিখ ফল ভেন্যু ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বাংলাদেশ ছয় উইকেটে জয়ী জোহানেসবার্গ ২ আগস্ট, ২০০৯ ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাঁচ উইকেটে জয়ী সেন্ট কিটস ১১ অক্টোবর, ২০১১ বাংলাদেশ তিন উইকেটে জয়ী ঢাকা ১০ ডিসেম্বর, ২০১২ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৮ রানে জয়ী ঢাকা