মনোহরদীতে বেহাল দশায় বিএনপি আওয়ামী লীগে একক প্রার্থী

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৪, ২২:২৩
মনোহরদীতে চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জনসহ মোট ২২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গত তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম খান বীরু, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা এম এস ইকবাল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা পারভিন। বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ সাহাদত হোসেন সরকার (বিপ্লব), পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে এড. মো. আ: হান্নান মিয়া, ওয়ান ইলেভেনের সময়ে বিএনপির সংস্কারবাদী নেতা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল গ্রুপ থেকে চেয়ারম্যান পদে তার বড়ভাই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সরদার মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই গ্রুপের যুবদল নেতা আমিনুর রহমান সরকার দোলন মনোনয়ন জমা দেন। জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জাপার উপজেলা সভাপতি মো.হাবিবুর রহমান(আঙ্গুর মাস্টার)। ইসলামী ঐক্যজোট থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাও: মোহাম্মদ নাছিরউদ্দিন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামানের ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা জহরুল ইসলাম মুকুল ও মাও: মো: বেলায়েত হোসেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে- মো. নজরুল ইসলাম ভুইয়া, মো. আবুল হাসেম প্রফেসর, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি এ, কে, এম জহিরুল হক, বেদেনা আক্তার, আফরোজা সুলতানা রুবী, রেখা বেগম। জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো:জাকারিয়া জেলা জামায়াতের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। সংস্কারবাদী গ্রুপ সক্রিয় থাকায় বিপাকে পড়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোট। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল জাতীয় পার্টির অবস্থা এখানে দুর্বল হলে তারাও দিয়েছে একক প্রার্থী। তবে নির্বাচনী মাঠে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর তেমন কোন প্রচারণা নেই। এছাড়া চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত একাধিক ব্যক্তি। উত্তপ্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির বিষফোঁড়া সংস্কারবাদী নেতা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন বুলু। আওয়ামী লীগের ভাইস চেয়ারম্যান পদেও রয়েছে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী।