বন্ধুসহ আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৪, ২২:৪৬
কুষ্টিয়ার খোকশা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক কেএম মহব্বত হোসেন দুলাল ও তার বন্ধুকে অপহরণের পর গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সোমবার সকালে তাদের লাশ রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের বাক বেষ্টপুর এলাকায় রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে খোকশার সমেশপুর বাজার থেকে মোটর সাইকেলযোগে আওয়ামী লীগ নেতা মহব্বত হোসেন দুলাল (৫০) ও তার বন্ধু স্থানীয় ঠিকাদার ফিরোজ মাহমুদ কামাল (৫২) বাড়ী ফিরছিলেন। এসময় বাজারের অদূরে সমেশপুর ব্রীজের কাছে মাইক্রোবাস নিয়ে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের দুজনকে মোটর সাইকেল থামিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। সোমবার ভোরে স্থানীয় পথচারীরা রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের রাজবাড়ী জেলাধীন পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের বাক বেষ্টপুর এলাকার রাস্তার পাশে দুটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পাংশা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাশার জানিয়েছেন, লাশ দুটির মুখে লাল রঙের টেপ জড়ানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মাইক্রোবাসের মধ্যেই মাথায় গুলি করে হত্যার পর লাশ দুটি রাস্তার পাশে ফেলে দেয় সন্ত্রাসীরা। হত্যার কারণ এখনও জানা যায়নি। নিহত কেএম মহব্বত হোসেন দুলালের পিতার নাম মৃত কেএম মকছেদ আলী। নিহত ফিরোজ মাহমুদ কামালের পিতার নাম নূর ইসলাম। দুজনের বাড়িই খোকশার সমেশপুর এলাকায়। অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে পাংশা উপজেলার শরিষা ইউনিয়নের বড় বনগ্রাম এলাকার একটি মসুরের ক্ষেতের মধ্য থেকে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় (৩২) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে পা বাঁধ এবং ওই যুবকের মুখ পুড়িয়ে ঝলসে দিয়ে দুর্বৃত্তরা গত রবিবার রাতের কোন এক সময় লাশটি এখানে ফেলে রেখে যায়।