চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্র দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যেসব প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের ভোটকেন্দ্র দখলে সম্পৃক্ততা আছে, তাদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পত্র-পত্রিকায় ভোট অনিয়মে জড়িতদের এবং ব্যালটে সিল মারার প্রকাশিত ছবির বিষয়ে ফাইল প্রস্তুত করার লিখিত আদেশ দিয়েছে কমিশন। গতকাল সোমবার দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক এই আদেশ দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল মোবারক ইত্তেফাককে বলেন, ভোট অনিয়ম করে কেউ পার পাবে না। যারা এ ধরনের কাজে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত রবিবার ইসি সচিবালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ দায়িত্বপ্রাপ্ত সিইসি বলেছিলেন, ভোটে অনিয়ম মিললে শুধু ভোটের দিন নয়, ভোটের পরেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ব্যাপক ভোটকেন্দ্র দখল হওয়ায় অস্বস্তিতে রয়েছে কমিশন। ভোটকেন্দ্র দখলকারীদের গুলির নির্দেশ দেয়ার পরও কেন্দ্র দখল ঠেকানো যায়নি। বরং গত তিন ধাপের চেয়ে এবার বেশি কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের আঘাত এসেছে।
ইসি সচিবালয় থেকে পত্র-পত্রিকার সংবাদ বিশ্লেষণ করে ফাইল প্রস্তুত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের ফাইল প্রস্তুত করার পরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে যাবে ইসি। এছাড়া কুমিল্লার বরুড়ায় একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে লাঞ্ছিত ও এক হাজার ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ঢাকার ও রাজশাহী থেকে নির্বাচিত দুইজন এমপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশন থেকে স্পিকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে।
