বান্দরবানে চাষ হচ্ছে নিষিদ্ধ পপি

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৪, ২১:৫০
বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নিষিদ্ধ পপি চাষ। বিভিন্ন সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে পপি চাষীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। সমপ্রতি আলীকদম সেনা জোনের মেজর কামরুল হাসানের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা জেলার আলীকদম-থানছির আলুঝিড়ি কারবারী পাড়া পাহাড়ের অরণ্যে ৫টি নিষিদ্ধ পপি বাগান আগুনে পুড়িয়ে দেয়। পপি চাষে জড়িত থাকার অভিযোগে চন্দ্র মনি ত্রিপুরা, ছেলে নাদির ত্রিপুরা ও স্থানীয় বাসিন্দার উতিচা ত্রিপুরাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেন। আলীকদম সেনা জোনের মেজর কামরুল হাসান জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গোপনে বিপদগামী পাহাড়ীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে নিষিদ্ধ পপি চাষে বাধ্য করে। চাষকৃত পপি বাগান থেকে বিভিন্ন উপায়ে ‘কষ’ আহরণ এবং ফল থেকে বীজ সংগ্রহ করে পপি চাষীরা। নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় পাহাড়ীরা জানান, ১৯৯০ সালের প্রথমদিকে জেলার সীমান্তবর্তী থানছি ও আলীকদম উপজেলার দুর্গমাঞ্চলে নিষিদ্ধ আফিম (পপি) চাষ শুরু হয়। প্রথমদিকে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নবাদী সন্ত্রাসীরা সীমান্তের নৌম্যান্স ল্যান্ডে আফিম চাষ করলেও বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ ফরেস্টের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আফিম চাষ করা হচ্ছে। আর আফিম চাষের শ্রমিক হিসেবে এখন দুর্গমাঞ্চলের বসবাসরত পাহাড়ীদের বেঁচে নিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। স্থানীয় পাহাড়ীরাও বর্তমানে জড়িয়ে পড়েছে নিষিদ্ধ আফিম চাষে।