মূলধারার চলচ্চিত্রের নির্ভরযোগ্য দুই পথিক

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৪, ১৯:৩১
চলচ্চিত্রে এখন ছবি প্রযোজনা বাড়ছে অপার সম্ভাবনার পথ ধরেই। তবে এই পথে এ বছর একাধিক ছবি নিয়ে নতুন করে লড়তে এগোচ্ছেন দুজন। তারা হলেন জায়েদ খান ও আরেফিন শুভ। তারা দুজনই প্রতিশ্রুতি নিয়েছিন যে, কমার্শিয়াল ধারার বাইরে কোনো ছবিতে কাজ করবেন না। এরই ভেতরে আরেফিন শুভ একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ছবিতে কাজ করছেন। বর্তমানে নির্ভরযোগ্য নায়কদের তালিকায় এখন এই দুটি নাম থাকছে নিয়মিত। এর বাইরে বাকিদের বেলায় কেউ কেউ নির্দিষ্ট হাউজে বন্দি হয়ে কাজ করছেন, আর কেউ টিভি বা মডেলিংয়ের পর শত চেষ্টাতেও কমার্শিয়াল ইমেজে দাঁড়াতে পারছেন না। ফলে মিডিয়ায় তাদের প্রচার বাড়ছে ঠিকই, কিংবা অহরহ প্রিমিয়ার বা ছবি শুটিংয়ের খবর মিলছে, কিন্তু রিলিজ হচ্ছে না। তাই এ বছর কমার্শিয়াল চলচ্চিত্রের এই দুটি নাম প্রযোজক ও পরিচালকদের কাস্টিং তালিকায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হয়ে রয়েছে। এরই মধ্যে জায়েদ খানের দুটি ছবি রিলিজ হয়েছে। ‘দাবাং’ ও ‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’ নামের এই ছবি দুটি সর্বাধিক হলে মুক্তি পেয়ে দর্শকদের কাছে জায়েদ খানের নতুন এক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। যদিও এই ছবি দুটির গল্প, পোস্টার ও আঙ্গিক নিয়ে অনেক তর্ক ও সমালোচনা আছে। তবে হাউজফুল বা ব্যবসায়িক সমীকরণে ‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’ ছবিটি সাফল্য লাভ করেছে। তাই দর্শক গ্রহণযোগ্যতার বিচারে এই দুজনকেই সময়ের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নায়কের জায়গায় রাখা হচ্ছে। এরই মধ্যে এ বছর জায়েদ খানের আরও হাফ ডজনের চেয়েও বেশি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। জায়েদ খান প্রসঙ্গে তার মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘প্রেম করব তোমার সাথে’ ছবির প্রযোজক হুমায়ূন কবীর শাহিন বলেন, ‘জায়েদ খানের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। ও কমার্শিয়াল ছবিতে রাজত্ব করবে। আমার ছবিতে জায়েদ আর মমর নতুন কেমিস্ট্রি ওর ক্যারিয়ার ইমেজকে বদলে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।’ পাশাপাশি আরেফিন শুভর এ বছরই জ্বলে ওঠার বছর। গত কয়েক বছর বিভিন্ন প্রযোজক-পরিচালককে যে ছেলেটিকে ছবিতে না নেওয়ার জন্য সুপারিশ-লবিং বা তথাকথিত ফিল্ম পলিটিক্স করে আসছিলেন অন্যান্য শীর্ষ নায়ক, তিনি আরেফিন শুভ। তবে এ বছরই তার সবচেয়ে প্রচারবহুল আর আশার পাহাড় গড়া চলচ্চিত্র ‘অগ্নি’ বাজারে সেই অর্থে আগুন লাগাতে পারেনি। তবে ব্যাবসায়িক অংকে প্রযোজক হতাশ নন। এরপরও আগামী চলচ্চিত্র এবং ‘অগ্নি’র অ্যাভারেজ সাফল্য এবং আরেফিন শুভর সুঅভিনয়ই বলে দিচ্ছে বাণিজ্যিক ধারার নির্ভরযোগ্য দুই অভিনেতার একজন তিনি। জায়েদ-শুভকে নিয়ে একাধিক নির্মাতা ও প্রযোজক অনায়াসেই ভাবতে পারেন এখন। কারণ তারা কোনো নির্দিষ্ট ঘরানায় বন্দি নন। এবং এই দুজনকে নিয়েই এখন মূল ধারার চলচ্চিত্রের গ্রহণযোগ্য হিরো বিবেচনা করে আলোচনা চলছে কলাকুশলীদের ভেতরেও।