রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের (রামেক) অধ্যাপকের হাতে হাসপাতালের কর্মচারী লাঞ্ছনার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ কর্মচারীরা হাসপাতালের প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার এই ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষে সমঝোতা হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় রামেকের রেডিও থেরাপি বিভাগের অধ্যাপক ডা. দায়েম উদ্দিন জরুরি তথ্যের জন্য হাসপাতালের প্রধান অফিস সহকারী আবুল কালাম আজাদের অফিসকক্ষে যান। কিন্তু প্রধান সহকারী আবুল কালাম আজাদ ‘আরেকটি কাজে’ ব্যস্ততার অজুহাতে অফিস থেকে অন্যত্র যাবার চেষ্টা করেন। এসময় ডা. দায়ে মউদ্দিন তার পথরোধ করলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে প্রধান সহকারী ডা. দায়েম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তাকে লাঞ্ছনার অভিযোগ এনে হৈচৈ শুরু করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা একজোট হয়ে প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে বারান্দায় বিক্ষোভ শুরু করেন। একঘন্টা পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতাল প্রশাসনের উদ্যোগে সমঝোতা হলে কর্মচারীরা শান্ত হন।
রামেক অধ্যক্ষ ডা. আবু রায়হান খন্দকার বলেন, সাবেক উপাধ্যক্ষ ডা. দায়েম উদ্দিনের সঙ্গে হাসপাতালের প্রধান সহকারীর বাক-বিতণ্ডা হয়েছে। বিষয়টি তাত্ক্ষণিক সমঝোতা হয়েছে। প্রধান সহকারীকে লাঞ্ছনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডা. দায়েম উদ্দিন। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, ‘হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য জরুরি তথ্য চাইলে প্রধান সহকারী তাকে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করেন। প্রতিবাদ করলে তিনি উল্টো লাঞ্ছনার অভিযোগ তুলে হৈচৈ শুরু করেন। এসময় তার পক্ষে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা অনর্থক উত্তেজিত হয়ে ওঠে। পরে হাসপাতালের শৃঙ্খলার স্বার্থে আমিই তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি।’
