পশ্চিমের জেলাগুলোর মামলার আলামত হিসাবে জব্দকৃত বিপুল সংখ্যক কার, মাইক্রো, জীপ, পিকআপ, ট্রাক, মোটরসাইকেলসহ নানা ধরনের যানবাহন বছরের পর বছর আদালত প্রাঙ্গণ ও থানার সামনে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকগুলো গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক গাড়ি যশোর কালেক্টর ভবনের পাশে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।
চোলাচালানের পণ্য বহন, দুর্ঘটনা, চোরাই গাড়িসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটাতে এসব গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল। মামলা সংশ্লিষ্ট আলামত হিসাবে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি এসব গাড়ি জব্দ করে প্রথমে থানাতে আনা হয়। মামলার চার্জশীট দাখিলের পর আলামত হিসাবে আদালতের মালখানায় জমা দেয়া হয়। যশোর মালখানার দায়িত্বরত একজন অফিসার বলেন, আদালতের মালখানা মামলার অন্যান্য আলামতে ভর্তি। যানবাহন রাখা সম্ভব নয়। যানবাহন বাইরে রাখা হয়।
ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার সামনে ৭টি গাড়ি দীর্ঘদিন পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ঝিনাইদহ সদর থানার সামনেও কয়েকটি গাড়ি এভাবে পড়ে আছে। যশোরের শার্শা থানার সামনে পড়ে আছে ৫ খানা গাড়ি। ঝিনাইদহ ডিসি অফিসের ভেতর পড়ে আছে ৭টি গাড়ি।
এসব মামলার বিচার শেষ হতে সময় লাগে। ততদিনে পড়ে থেকে গাড়ির আয়ু শেষ হয়ে যায়। এখন ভাঙ্গারির দামে বিক্রি করতে হবে।
