ভূঞাপুরে ব্যাপক লোডশেডিংয়ে কৃষক ও খামারিরা বিপাকে

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০১৪, ২১:৪৫
ভূঞাপুরে বিদ্যুতের লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ, বিঘ্নিত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম। বিপাকে পড়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা, নষ্ট হচ্ছে কৃষি কাজে ব্যবহূত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি। ফলে ফসল ঘরে তোলা নিয়ে হতাশ উপজেলার কৃষকেরা। এছাড়া গরমে হঠাত্ করে বিদ্যুতের এই ভেলকিবাজির কারণে খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের রোগ-বালাই। ভূঞাপুরে রাত-দিন মিলে ৩ ঘণ্টাও বিদ্যুত্ মেলে না। যে সময়টুকু বিদ্যুত্ থাকে তাতে আবার মিসকল আদলের লোডশেডিং। একবার বিদ্যুত্ আসলে ২-৩ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। ১০ মিনিটের মধ্যে দেয়া হয় কয়েকবার লোডশেডিং। উপজেলায় এবার আশানুরূপ ইরি ধান আবাদ হলেও বিদ্যুতের কারণে তা হতাশ করছে কৃষকদের। এদিকে লো-ভোল্টেজের কারণে বিদ্যুত্ চালিত সেচ যন্ত্রগুলো বিকলসহ বাসা-বাড়ির রেফ্রিজারেটর, টিভি, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে চলতি এইচএসসি, সমমানের পরীক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়েছে। মোমবাতির উপর ভরসা করে তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। এছাড়াও পোল্ট্রি খামারিরা চরম উত্কণ্ঠার মধ্যে রয়েছে। প্রতিদিন মারা যাচ্ছে শত শত মুরগির বাচ্চা। অথচ বিদ্যুতের অভাবে সেখানেও ধান ক্ষেতে পানি দিতে পারছেন না কৃষক। অন্যদিকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে উপজেলার গোবিন্দাসী, সিরাজকান্দি, পলশিয়া, পুনর্বাসন, মাটি কাটাসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রামবাসী, ব্যবসায়ী, ছাত্র/শিক্ষক মিলিত হয়ে ভূঞাপুর বিদ্যুত্ অফিস ঘেরাওয়ের কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। সোমবার তারা বিদ্যুত্ অফিস ঘেরাও করবে বলে সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুত্) মো. কামরুজ্জামান বলেন, চাহিদা বেশি থাকলেও টাঙ্গাইল থেকে বিদ্যুত্ পাওয়া যায় ২-৩ মেগাওয়াট। ঘন ঘন লোডশেডিং দিয়ে বিদ্যুত্ সরবরাহ করতে হচ্ছে।