বন বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০১৪, ২২:০১
ভারতের মেঘালয় প্রদেশের তুরা জেলা ও বাংলাদেশের জামালপুর জেলার সীমান্ত ঘেঁষা উপজেলার নাম বকশীগঞ্জ। এ উপজেলার সীমান্তেই রয়েছে গারো পাহাড় ও বনাঞ্চল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিস্ময়কর দৃশ্য আমাদের মনকে উদ্বেলিত করে তোলে। কিন্তু স্থানীয় বন বিভাগের উদাসীনতায় যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ স’মিল। ১০-১২টি স’মিলের সংখ্যা থেকে এখন দাঁড়িয়েছে অর্ধশতকে। এসব স’মিলে অবাধে চেরাই হচ্ছে বন-বাগানসহ সড়কের পাশে সৃজন চোরাই কাঠসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ। অনেকে বন বাগানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাতকল স্থাপন করে কাঠ চেরাই করছে। এতে করে মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অনেকেই আবার প্রতি ৩ কিলামিটারের মধ্যেও স’মিল স্থাপন করেছে। পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে লাইসেন্সবিহীন চলছে অর্ধশতাধিক স’মিল। নিয়ম অনুযায়ী ভূমি অফিস থেকে নির্মিত স্থানের ছাড়পত্র এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে উপজেলা বন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির কাছে আবেদন করতে হয়। সেখান থকে আবেদনটি জেলা বন অফিস হয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে লাইসেন্স প্রদানের জন্য পাঠালে সকল বিষয় পর্যালোচনা করে নিরাপদ স্থানে স’মিল করার জন্য লাইসেন্স প্রদান করা হয়। অথচ এসব নিয়ম-নীতিকে উপেক্ষা করে যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে এসব স’মিল। এসব স’মিলের কারণে উজাড় বনাঞ্চল। আবার করাতকলের আড়ালে চলছে অবৈধ কাঠ ব্যবসা । এসব বন্ধ করার জন্য অবিলম্বে জরুরি পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জি এম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ, জামালপুর