শামসুজ্জামান খান
এখন সাহিত্যিক ও শিল্পী হিসেবে আমরা যাদেরকে চিনি, তারা প্রায় সবাই উঠে এসেছেন কচি-কাঁচার আসরের হাত ধরে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। কারণ নিজেকে শিল্পী এবং সাহিত্যিক হিসেবে গড়ে তোলার সব উপকরণই এই কচি-কাঁচার আসরের ছিল এবং আছে। তবে নিজে শিল্পী কিংবা সাহিত্যিক হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে যে কচি-কাঁচার আসর পড়ে উপকার পাওয়া যাবে না, তা কিন্তু না। সাধারণ শিশু-কিশোর এই পাতা পড়ে নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করতে পারছে। আর এটি করে আসছে গত ৫৯ বছর ধরেই। আমি নিশ্চিত কচি-কাঁচার আসরের সুবাদে আমরা আরো অনেক প্রতিভাবান সাহিত্যিক পাবো। মানিক ভাই-এর নির্দেশে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই সে লক্ষ্যেই কাজ শুরু করেছিলেন।
সুকুমার বড়ুয়া
শিশু-কিশোররা কোমলমতি। তাদের মনে যে কোন কিছুই খুব সহজে প্রভাব ফেলে। সেটি ভালো হোক আর মন্দই হোক। তবে প্রভাবটি যদি মন্দ হয়, তা হলে সে যখন বড় হয়, সবকিছু খুব ভালোভাবে বিচার করতে শেখে, তখন সে এটি মন থেকে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। আর ভালো হলে সারাজীবনের জন্য রেখে দেয়। কচি-কাঁচার আসরের ক্ষেত্রে এই ব্যাপরটি লক্ষ্য করা যায়। যারা সেই ছোটবেলায় এই পাতা পড়েছেন, এখনও এর কথা ভোলেননি। এখনও চেষ্টা করেন পড়তে। এভাবেই প্রমাণিত হয় কচি-কাঁচার আসর শিশুদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং তাদের প্রতিভা প্রকাশের ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে। আমার অধিকাংশ লেখা কচি-কাঁচার আসরে ছাপা হয়েছে। ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষের নিকট আমরা অনেক ঋণী।
ফারুক নওয়াজ
কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন! কথাটা ভেবেই মন আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠে; এ যেন আমার, এবং আমার মতো আরো অনেকের জন্মদিন। কারণ, বাঙালির অবিচ্ছেদ্য ইতিহাসের অংশ দৈনিক ইত্তেফাকের এই পাতা থেকেই জন্ম। আমাদের আজ যারা দেশের সাহিত্যভুবনের নিরঙ্কুশ বাসিন্দা বা কলম-কুশীলব।
আজ থেকে চার দশক আগে; প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র তখন, আসরের সদস্যতালিকায় নাম ছাপা হয়েছে দেখে পত্রিকাটি কতদিন যে নিয়ে বেড়িয়েছি তা ভাবতে মনটা কেমন হয়ে ওঠে। পরে এই কচিকাঁচায় দাদাভাইয়ের অনুপ্রেরণায় লিখে লিখে লেখক হওয়ার প্রাণান্ত চেষ্টা । আমার প্রিয় কচি-কাঁচার আসর—তুমি বেঁচে থাকো হাজার বছর; যুগ যুগ জিও প্রিয় কচি-কাঁচার আসর।
শিশু একাডেমী, ঢাকা।
শাফিকুর রাহী
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, শিশুদের ছেড়ে দিতে হবে তার আপন আলোয় নিজস্ব জগতে, বৃক্ষশোভিত অরণ্য উদ্যানে কিংবা খালের জলে সাঁতার কাটবে, ঝিলেবিলে শাপলা ফুলের লতাপাতায় আপন মনে স্বপ্ন বুনে যে শিশু বেড়ে উঠবে হেসেখেলে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে— সে শিশু অবশ্যই দেশ, জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ভবিষ্যতে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সেক্ষেত্রে কচি-কাঁচার আসর শিশুদের মেধা বিকাশে অনেক বড়ো ভূমিকা পালন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তাদের শুভবাদের সেই পথচলা আরো দীর্ঘ হোক। সফল হোক, মাটি ও মানুষের হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন।
শান্তিনগর, ঢাকা
মালেক মাহমুদ
কচি মনের সকালের হাসি কচি-কাঁচার আসর। শুধু কী ছোটদের? নাকি ছোটদের বড়দের বুড়োদের। দৈনিক ইত্তেফাকের শিশুপাতা শিশুমনের কথা বলে। আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যত্। একটি দৈনিক পত্রিকা শুধু জরুরি খবর ছাপাবে এমনটি হওয়া উচিত নয়। দৈনিক ইত্তেফাক এমনটি নয়। শিশু মনের কথা বুঝে। শিশু মনকে জাগিয়ে তোলার জন্য বের করে শিশুপাতা। সাতদিনে একদিন কিন্তু প্রতিদিন নয়। বড়দের জন্য কত রকম পাতা প্রতিদিনের তালিকায় থাকে। শিশুদের জন্য সাতদিনে একদিন শিশুপাতা। সেই পাতার জন্য তাকিয়ে থাকে শিশুমন। প্রতিদিন খুঁজতে থাকে তার প্রিয় পাতা কচি-কাঁচার আসর। প্রিয়দিন বুধবার। আমি এই পাতার একজন পাঠক ও লেখক বটে। কচি-কাঁচার জন্মদিন মানে কচি মনের হাসির দিন। সেই কচি-কাঁচার আসর এগিয়ে চলছে তার নিজ ঠিকানায়।
শিশু সাহিত্যিক, মানিকগঞ্জ।
মোশাররফ হোসেন ভূঞা
ঐতিহ্যবাহী ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার ‘কচি-কাঁচার আসরে’র আজ শুভ জন্মদিন। এইদিনে খুব বেশি মনে পড়ে শৈশব-কৈশোরের অনেক স্মৃতি। প্রতি সপ্তাহে এ আসরটি প্রকাশিত হয়। দেশের খ্যাতনামা লেখকদের ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ পড়ে তাদের মতো লিখতে খুব ইচ্ছে করতো। পড়তে পড়তে তারপর একদিন এ আসরে লিখতে শুরু করি। এ আসরটি আমি এখনও নিয়মিত পড়ি। ছোট্টমনিদের সন্দেশ, আমার প্রিয় স্কুল, প্রিয় বই, ছড়া, কিশোর কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, তোমাদের চিঠি থেকে, নতুন যারা সদস্য হলে— সবকিছু মিলিয়ে চমত্কার একটি সাপ্তাহিক উপহার প্রতি বুধবার আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
নিউবেইলী রোড, ঢাকা।
রানা জামান
১৯৭৬ সালে এসএসসি পাসের সাথে সাথে একটা সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করলেও কচি-কাঁচার আসরে লেখা পাঠানোর মতো যোগ্য হয়ে উঠতে পারিনি। তবে পড়েছি। কচি-কাঁচার আসরে ছোট-বড় সবার লেখা, আঁকা ছবি স্থান পায়। একবাক্যে বলা যায় কচি-কাঁচার আসর লেখক, চিত্রশিল্পী তৈরি করে। বিখ্যাত নতুন সকল লেখকের লেখাই কচি-কাঁচার আসরে স্থান পায়। কচি-কাঁচার আসরের বিশেষ সংখ্যাগুলো তথ্যসমৃদ্ধ, অনন্য। বর্ষাসংখ্যা, ফাগুনসংখ্যা, শাওনসংখ্যা, জাতির পিতা সংখ্যা ইত্যাদি। লেখালেখি ছাড়াও কচি-কাঁচার আসরের প্রতি সংখ্যায় কোনো বিশেষ ব্যক্তিত্বের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রকাশ পায়, একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচিতি তুলে ধরা হয়, নতুন প্রকাশিত ছোটদের বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি জানিয়ে দেয়া হয় পাঠকদের।
কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিন আজ। অনন্তকাল ধরে প্রতিবছর এভাবে কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন ফিরে আসুক সগৌরবে তথ্যসমৃদ্ধ লেখালেখি, ছোটদের সাহিত্য, আঁকাশিল্প নিয়ে।
সাহিত্যিক, কিশোরগঞ্জ।
মঈনুদ্দিন কাজল
কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিনে শিশু-কিশোর ও ছোট্টমণিদের জানাই লাল গোলাপ শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা। কচি-কাঁচার আসরের গৌরবময় ইতিহাস অনেক পুরনো। আসরটি শিশু-সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে অতুলনীয় অবদান রেখে চলছে। ইতোমধ্যেই আসরটি সফলতার সাথে পেরিয়ে এসেছি অর্ধশত বছরেরও অধিক সময়। দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা একটি ঐতিহ্যবাহী সংবাদ মাধ্যম। কবি, কথা-সাহিত্যিক, প্রবন্ধ, গল্পকার, ছড়াশিল্পী সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আসরটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। আসরের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।
কথা-সাহিত্যিক, ঢাকা।
ফজলে আহমেদ
সময়ের দাবিতে আজ থেকে ঊনষাট বছর আগে নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাটিতে কচি-কাঁচার আসর প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন। সেই থেকেই ছোটদের জন্য একটি পাতা বরাদ্দ হয়ে গেল। পাতাটির নাম হল কচি-কাঁচার আসর। পাতাটি কচি-কাঁচাদের মনকে যেমন ছুঁয়ে যায়, ঠিক তেমনি করে আমার মনটাকেও ছুঁয়ে যায়। মনে হয়, আমার হূদয়ে যেন একটা আসর। পাতাটি ছোটদেরকে যেমন মজা দেয়, আনন্দ দেয়, উত্সাহ দেয় অন্যদিকে লেখকদেরকে আবার প্রেরণাও দিয়ে থাকে। অনেক বড় বড় খ্যাতিমান লেখক সৃষ্টিতে কচি-কাঁচার আসরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। তা দিবালোকের মতো সত্য।
শিশু-সাহিত্যিক, ঢাকা।
আসলাম সানী
কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিনে ছোট্ট সোনামনি আসরের বন্ধুদের আমার অনেক অনেক স্নেহ ও ভালোবাসা। সকল শিশু-সাহিত্যিক ও অন্যান্য লেখক বন্ধুদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন। কচি-কাঁচার আসর সফলতার সাথে অর্ধযুগেরও অধিক সময়ের দীর্ঘপথ পেরিয়ে শতবর্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লেখালেখির শুরু থেকেই এ আসরের সাথে ছিলাম এবং আছি, থাকবো এবং লিখবো যতদিন বেঁচে থাকবো। কচি-কাঁচার আসরের শুভ জন্মদিনে আজ আমি শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ করছি ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াকে। এ আসরে লিখে লিখে মেধা-মনন বিকাশের মাধ্যমে ছোট সোনামনি লিখিয়েরা একদিন দেশবরেণ্য লেখক হবে এই শুভ প্রত্যাশা আমার।
কবি ও শিশু-সাহিত্যিক, লালবাগ, ঢাকা।
আরিফ নজরুল
কচি-কাঁচার আসর এদেশে শিশু-সাহিত্যিকদের লালন-পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে অর্ধশতাব্দী অধিককাল থেকে। আজ যারা বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান শিশু-সাহিত্যিক তারা সবাই এখানে লিখেছেন। তাদের লেখা পড়ে আমরা উদ্বুদ্ধ হয়েছি। মননশীল মানুষ তৈরিতে কচি-কাঁচার আসরের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করছি। কচি-কাঁচার আসরে আমি নিয়মিত লিখছি। এক যে ছিলো পুতুল রানি ছোটদের জন্য লেখা আমার গল্পগ্রন্থ। এ গ্রন্থের প্রায় সবগুলো গল্প কচি-কাঁচার আসরে ছাপা হয়েছিল। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক, প্রকাশক ও কচি-কাঁচার আসরের সবার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। জয়তু কচি-কাঁচার আসর।
সাহিত্যিক
মু. আব্দুল বাকী চৌধুরী নবাব
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাকের অন্যতম আকর্ষণীয় পাতা “কচি-কাঁচার আসর” ৫৯তম বছরে পা রাখলো। হিসেব মতে হীরক জয়ন্তীতে পৌঁছতে আর মাত্র একবছর বাকি। দর্শন ও মনস্তত্ত্ববিদ্যা অনুযায়ী এরা বয়োবৃদ্ধ হলেও বস্তুনিষ্ঠ বুদ্ধিতে পাকা কচি-কাঁচা। কারণ তাঁদের চিন্তাধারা ও সিদ্ধান্তে তেমন অতি উচ্ছ্বাস বা আবেগ থাকে না বিধায় কাজ-কর্মে ভুলত্রুটি কম হয়ে থাকে। আর একটি কথা জোর দিয়ে বলতে পারি। এ যাবত্ যত আবিষ্কারসহ সৃষ্টিধর্মী কর্মকাণ্ড সম্পন্ন হয়েছে, তা এই বয়সেই। যাহোক, ৫৯তম কচি-কাঁচার জন্মতিথিতে জানাই অতীত, বর্তমান ও অনাগত সকল কচি-কাঁচাকে ফুলেল ও সৌরভযুক্ত হূদয় নিংড়ানো শুভেচ্ছা।
মোহাম্মদ ইলইয়াছ
কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধার সাথে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক জগতের কিংবদন্তী নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম। আজ কচি-কাঁচার আসরের বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হলো। এদিনে প্রথম কচি-কাঁচার আসর প্রকাশিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজও কালের সাক্ষী হয়ে রয়েছে। আমার অতি প্রিয় পত্রিকা ইত্তেফাক, এর আমি পাঠক। আমিও মাঝে মাঝে আসরে লিখে থাকি। আমার সন্তানেরা আসরের সদস্য। তারা আসরে লেখালেখি করে। শিশুদের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রে এবং সংস্কৃতি জগত্ নির্মাণে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তার জন্য ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষকে আমার অজস্র ধন্যবাদ।
নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা।
শারতাজ এফ রহমান
সদস্য নম্বর: ৭৬৯
শ্রদ্ধেয় তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। তাঁরই নির্দেশনায় ও পরামর্শে ১৯৫৫ সালের ২রা এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকের ভিতরের পাতায় প্রথম ছাপা হয় কচি-কাঁচার আসর। তাঁর প্রতি রইলো আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা-সালাম ও কৃতজ্ঞতা। কচি-কাঁচার আসর সব বয়সের মানুষকে লেখক ও পাঠকরূপে তৈরি করেছে। আমরা কচি-কাঁচার আসরের শুভ জন্মদিনে শুভেচ্ছাসহ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আসরের দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
তৃতীয় শ্রেণি, সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ।
জুবাইদা শারমীন রাইসা
কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন, শুভ হোক। আমরা এ আসরটি নিয়মিত পড়ি, এ আসরের কার্টুন, গল্প, ছড়া-কবিতাগুলো আমার খুব ভালো লাগে। লেখার চেয়ে পড়তেই আমার অনেক ভালো লাগে। আসরের প্রকাশিত দেশবরেণ্য লেখকদের লেখা পড়ে আমরা অনেক কিছু জানতে পারি। আসরের জন্মদিনের আনন্দে বন্ধুদের জানাই আমার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
আসরের সদস্য বোন, ঢাকা।
সালাম হাসেমী
কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন উপলক্ষে আসরের সকল সদস্য-সদস্যা, লেখক-লেখিকা, পাঠক-পাঠিকা এবং প্রতিষ্ঠাতার প্রতি রইল আমার আন্তরিক সালাম, শুভেচ্ছা ও সুকোমল প্রীতি। এই আসরের জন্ম ১৯৫৫ সালে। বর্তমানে এই আসর সপ্তাহের প্রতি বুধবার প্রকাশিত হয়। সারাটি সপ্তাহব্যাপী অধীর আগ্রহ নিয়ে এই বুধবারের প্রতীক্ষায় থাকি। আগে এই আসরটি এক পাতায় প্রকাশিত হতো। আসর দুই পাতায় প্রকাশ হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। দুই পাতায় প্রকাশ করার জন্য এই পত্রিকার পরিচালক ও কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
ফরিদপুর
আমিনুর রহমান সুলতান
কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিন আজ। জন্মদিনের শুভেচ্ছা। শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে সময়োপযোগী কার্যক্রম ছিল ইত্তেফাকের। আমাদের মতো অনেকে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই-এর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছেন এ আসরে লেখা প্রকাশের মধ্যদিয়ে। সাধুবাদ উভয়কে এবং ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষকে। কেবল লেখালেখি নয়, এর পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের মানসিক গঠনে যে সাংগঠনিক ভূমিকা তারও প্রয়োজন মিটিয়ে গতিশীল কচি-কাঁচার আসর উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলছে। একজন শিশু নিজের দেশ, মা, মাটি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার মতো শক্তি সঞ্চয় করার উপাদান খুঁজে পাচ্ছে এই আসরের সাহিত্য পাতা থেকে। কচি-কাঁচার আসরে যারা সেকালে লিখতেন, তাঁরা সবাই ছিলেন প্রগতিশীল এবং আসরের অনেক কিশোর একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
বাংলা একাডেমি, ঢাকা ।
মহসিন আহমেদ
সুদীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, এ দেশের মা, মাটি ও মানুষের স্বপ্ন বুনন করে বায়ান্ন, একাত্তর পেরিয়ে কচি-কাঁচার আসর আজও নবীন। আসর হাজারও প্রতিভাবান ব্যক্তিকে তুলে ধরেছে দেশ ও জাতির কাছে। তৈরি করেছে লক্ষ্য বিবেকবান মানুষ, যারা আজ জাতির চালিকাশক্তি। কত অজানাকে জানাবার জন্য কচি-কাঁচার আসর দীর্ঘ ৫৯ বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমার সবচেয়ে বেশি লেখা ছাপা হয়েছে কচি-কাঁচার আসরে। কচি-কাঁচার এই রূপালি পথ রঙে রঙে রঙিন হয়ে থাক। কচি-কাঁচার পরিবারের সকল লেখক পাঠকের প্রতি রইল আগাম বৈশাখী শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
শ্রীপুর, গাজীপুর।
জাহানারা জানি
এলো এলো শুভদিন, কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন। আমার অনেক ঋণ আছে, কচি-কাঁচার কাছে। ছায়া দিলো মায়া দিলো, দিলো ভালোবাসা। কচি-কাঁচার আসর সবার মনে জাগায় স্বপ্ন আশা। চির অমর স্বপ্ন রঙিন, বাজুক খুশির
বীণ। শুভ হোক কচি-কাঁচার শুভ জন্মদিন।
সাহিত্যিক, আজিমপুর, ঢাকা।
খান চমন-ই-এলাহি
বাংলা সাহিত্যের একটি ধারাবাহিক ইতিহাস বিনির্মাণে কচি-কাঁচার আসর ভিন্ন মাত্রা দান করেছে। নবীন-প্রবীণের মেলবন্ধন হিসেবেও কাজ করে। ক্রমাগত উন্মেষ ঘটায় সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের। যুগপত্ দৈনিক ইত্তেফাকের দায়িত্বশীল পরিচয়ও প্রকাশ পায়। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা অর্জনসহ বাঙালির সকল অর্জনে পত্রিকাটির ভূমিকা সর্বজনপ্রশংসিত। যা আজো অব্যাহত। ইত্তেফাক ও কচি-কাঁচার আসর এক ও অভিন্ন। তাই আমি কচি-কাঁচার আসরের সূচনা সংখ্যা দিনের সাফল্য কামনা করি।
কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
শেখ মাহবুবা তাসনিম মায়া
১৯৫৫ সালের ২ এপ্রিল ইত্তেফাকের পাতায় কচি-কাঁচার আসর প্রকাশিত হয়। কচি-কাঁচার আসর বর্তমানে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আজ ৫৯ বছরে পা রেখেছে। কচি-কাঁচার আসর জ্ঞান, আনন্দ ও মজার আসর। এটি সকলের ভালবাসার আসর। আমি বেশি একটা লেখা না পাঠালেও প্রতি বুধবার আমি কচি-কাঁচার আসর পড়ি। এটি আমার অনেক ভাল লাগে। তাই আজকের এইদিনে কচি-কাঁচার আসরের জন্য রইল শুভ কামনা এবং শুভেচ্ছা। আমি চাই কচি-কাঁচার আসরের আরো অগ্রগতি হোক এবং আসরের আরো উন্নতি হোক।
সদস্য নম্বর: ১১৫৪, গুলশান সেন্ট্রাল স্কুল, গুলশান, ঢাকা-১২১২।
কাজী রিচি ইসলাম
ইত্তেফাক পত্রিকার দীর্ঘ পথচলাই প্রমাণ করে ইত্তেফাকের কচি-কাঁচার আসর খুবই জনপ্রিয়। এর সব লেখাই অত্যন্ত সুলিখিত ও উপভোগ্য। এই কচি-কাঁচার আসর থেকে আমরা পেয়েছি অনেক গুণীজন। পাবো সামনে আরও গুণীজন ও প্রতিভাবানদের।
মতামত হিসেবে বলতে চাই, কচি-কাঁচার আসর থেকে কোন বর্জন নয়, চাই আরও সংযোজন। বাইরের দেশের শিশুরাও কচি-কাঁচার আসরে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং লিখতে ও আঁকতে পারে সে সুযোগ সৃষ্টি করা। হোক সেটা প্রতিবেশী দেশ দিয়ে শুরু। কচি-কাঁচার আসর ছোটরা পড়ুক। প্রতিদিন পড়ুক, মাস কিংবা সারা বছর পড়ুক। বড়রা পড়ুক। ও হ্যাঁ, আরেকটি কথা, কচি-কাঁচার আসর-এর সফলতা ব্যাখ্যাটি কতটুকু তা সদস্য নম্বর দেখেই বোঝা যায়, আর কিছু বলতে প্রয়োজন হয় কি?
মিরপুর, ঢাকা।
কানিজ ফাতেমা দোলা
সদস্য নম্বর: ৩২০৯
আমি প্রতি সপ্তাহের বুধবারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি আসর পড়ার জন্য। আমার অনুরোধ আমাদের কৃতী ছাত্র-ছাত্রীরা যদি ভাল ফলাফল করি তাহলে সদস্য নম্বরসহ আপনাদের ঠিকানায় অথবা সরাসরি আমাদের পরিচয়টা কচি-কাঁচার আসরে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি। জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
৮ম শ্রেণি, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা
উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা।
সেলিনা হোসেন
প্রতিভা যতই থাকুক— অনেকক্ষেত্রেই সেই প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। পরিবেশ পায় না। কচি-কাঁচার আসর সেই সুযোগ এবং পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছিল। আর সেজন্যই সবাই নিজেদেরকে মেলে ধরতে পেরেছিলেন। যারা শুধুই পাঠক ছিলেন, তারা হয়তো লেখক বা শিল্পী খ্যাতি পাননি, তবে তাদের মধ্যে একটি সৃষ্টিশীল দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে, এ কথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তাই আমি বলবো কচি-কাঁচার আসর শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ভূমিকাতো রেখেছেই পাশাপাশি খুব ভালো একটা সাংস্কৃতিক জগত্ও তৈরি করেছে। আর সৃষ্টিশীল দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে সবার মধ্যে। কচি-কাঁচার আসরের বয়স ৫৮ বছর পূর্ণ হলো। চাট্টিখানি কথা নয়। আমার শুভেচ্ছা থাকলো।
রেজাউদ্দিন স্টালিন
‘কচি-কাঁচার আসর’ এক পীঠস্থানের নাম।
অনেক বৃতবিদ্য মানুষের জন্ম হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে। ১৯৮২ সালে কচি-কাঁচার আসরে ঈদ সংখ্যায় ‘আছে’ শিরোনামে আমার লেখা প্রথম প্রকাশ পেয়েছিলো। সেই থেকে আমি এই নামের সাথে আত্মীয়তা গড়ে তুলেছি। স্মরণ করি রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইকে, তিনি প্রকৃত লেখকদের সনাক্ত করতে পারঙ্গম ছিলেন। আর যাকে এদেশের আপামর মানুষ শ্রদ্ধা করে— তিনি তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া— যাঁর স্বপ্নে গড়া ইত্তেফাক ও কচি-কাঁচার আসর। এই সময়ে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগঠন এবং শিশু-কিশোর সাহিত্য পাতা কচি-কাঁচার আসরের কালোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি।
নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা।
সুজন বড়ুয়া
শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রে কচি-কাঁচার আসরের অবদান অপরিসীম। শুধু ছড়া-কবিতা ও গল্প প্রকাশের মধ্যদিয়ে নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, তথ্য-প্রযুক্তি ও সমাজ প্রগতির নানা খোঁজ-খবর নিয়মিত প্রকাশ করে কচি-কাঁচার আসর যেমন শিশু-কিশোর পাঠকদের অনুসন্ধিত্সা বাড়িয়েছে, তেমনি তাদের রুচি তৈরিতেও সাহায্য করেছে। আমাদের কৈশোরে দৈনিক পত্রিকার ছোটদের পাতাগুলোর মধ্যে কচি-কাঁচার আসর ছিল সবচেয়ে আকর্ষণীয়। তখনই জানতে পারি দেশের প্রবীণ শিশু-সাহিত্যিক সংগঠক রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই এই পাতা সম্পাদনার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। তাঁর সম্পাদনা মান অত্যন্ত উন্নত। সুতরাং এই পাতায় লেখা ছাপানো সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। এই কথা জেনেও সেই ১৯৭৫-৭৬ সালে গ্রাম থেকে একটার পর একটা লেখা পাঠাতে থাকি। শেষ পর্যন্ত লেখা ছাপা হয় এবং ছাপার অক্ষরে নিজের নাম দেখে আপ্লুত হই। তারপর তো একসময় এই আসরের নিয়মিত লেখকের তালিকাভুক্ত হয়ে যাই। সে আমার জন্য এক পরম গৌরবের বিষয়। শিশু-সাহিত্যের নানা শাখায় বর্তমানে যারা খ্যাতিমান, তাদের অধিকাংশেরই বেড়ে ওঠার বাহন ছিল এই কচি-কাঁচার আসর। আসরের জন্মদিনে অশেষ কৃতজ্ঞতা।
শিশু একাডেমী, ঢাকা।
ফয়সাল শাহ
কচি-কাঁচার আসর আমার প্রিয় আসর। দীর্ঘকাল যাবত্ এ আসর চলে আসছে, যা গৌরবের বিষয়। ছোটদের বিনোদনসহ মানসিক গঠনে এ আসর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি এ আসরে নিয়মিত লিখে থাকি। ছোটদের জন্যে লেখার ক্ষেত্রে এ আসর আমাকে দিক নির্দেশনা ও প্রণোদনা দিয়ে আসছে। সারাদেশের ছোটরা এ আসরের মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবত্ তাদের স্বপ্নজগতের কাঙ্ক্ষিত লেখা পেয়ে আসছে। আমি কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসে এ আসরের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
নিউ ইস্কাটন, ঢাকা।
জাকির হোসেন চৌধুরী
দীর্ঘদিন সম্পাদনার সাথে জড়িত থেকেও আমার লেখালেখির শুরু বেশিদিনের নয়। তবে ছোটোবেলা থেকেই ছোটদের গল্প, কবিতা-ছড়া এবং উপন্যাস পড়ার আগ্রহ ছিল প্রবল। কচি-কাঁচার আসরের ছড়া, কবিতা পড়ে একদিন স্বপ্ন ছিল কচি-কাঁচার আসরের পাতায় লিখবো। এখন স্বপ্নের কচি-কাঁচার আসরের পাতায় ছড়া-কবিতা লিখে আসছি দীর্ঘদিন ধরে। ইতোমধ্যে কচি-কাঁচার ৫৮ বছর অতিবাহিত হয়ে ৫৯তম জন্মদিনে পা রেখেছে। কচি-কাঁচার শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
সাহিত্যিক, ১১২ সার্কিট হাউজ রোড, ঢাকা।
সাফিনা আক্তার
আজ কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিন। ১৯৫৫ সালের ২ এপ্রিল এইদিনে প্রথম যাত্রা শুরু হয় কচি-কাঁচার আসরের। দৈনিক ইত্তেফাকের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার সদিচ্ছা ও নির্দেশে ছাপা হয় এর প্রথমপাতা। সত্য সুন্দর আর সাহিত্যের উঠোনে কচি-কাঁচার আসর সুন্দরের লালন করে থাকে। প্রকৃত লেখক, কবি, ছড়াকার হিসাবে গড়ে উঠতে হলে চাই তার জন্য চর্চা, অধ্যবসায় এবং চর্চার পরিবেশ, কচি-কাঁচার আসর সেই পরিবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়ে সাহিত্য ভান্ডারকে করেছে সমৃদ্ধ। লেখক ও পাঠকের মননশীল প্রতিভা প্রকাশের নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে কচি-কাঁচার আসর। লেখা, আঁকা, ছড়া, মতামত, তোমাদের চিঠি, আমার প্রিয় বই, আমার কথা, সকল পরিচিতি ছোটমনিদের সন্দেশ, জানার বিষয়, তোমাদের জন্য লেখা বই, টিনটিন অভিযান প্রভৃতির মাধ্যমে বর্তমান কচিকাঁচার আসর একটি পূর্ণাঙ্গ আসর যার মাধ্যমে সকল শ্রেণীর লেখক পাঠক নিজ সাহিত্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হচ্ছে। সদস্য হওয়ার ফরমের মাধ্যমে সহজেই শিশুরা সদস্য হয়ে নিজ প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে। আমি এই পাতার একজন নিয়মিত পাঠক ও লেখক হওয়ায় আমি পাতার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
কালশী, মিরপুর, ঢাকা।
গুলশান-ই-ইয়াসমিন
কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিনে আজ আমাদের খুশির সীমাহীন। আনন্দ ও শুভেচ্ছা দিয়ে কচি-কাঁচার আসরকে আমরা বরণ করি।
কচি-কাঁচার লেখক, কবি তাদের কলম দিয়ে মানুষের সুখ-দুঃখের কথাগুলি যেন রচনা করে কচি-কাঁচার আসরে। সবার মাঝে ফুটে উঠুক-সকলের মনের কথা হয়ে। মানুষ চায় মনের ছোট ছোট দুঃখ-ব্যথাকে সাহিত্যের মাঝে বিস্তার করুক। পাঠক সেগুলো পাঠ করে নিজ অসীম জ্ঞান ভাণ্ডারের মাঝে আলোকিত করুক। কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন। ২রা এপ্রিল সকলকে শুভেচ্ছা জানাই।
ফরিদা ইয়াছমিন সাথী
আজ কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন। আজকের দিনে সর্বকালের কিংবদন্তী নির্ভীক সাংবাদিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মহান উদ্যোগে আমাদের প্রিয় আসর কচি-কাঁচার আসরের শুভসূচনা হয়েছিলো। এই দিনটি অবিস্মরণীয়। তিনি আমাদের জন্য এ “কচি-কাঁচার” আসর খুলে আমাদের স্বপ্নপূরণের পথ রেখে গেছেন। তার জন্য আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি আসরের সদস্য। যে দিন আমার প্রথম লেখা আসরে প্রকাশিত হয়েছে তা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। শহরের বন্ধুদের পাশাপাশি মফস্বলের বন্ধুদেরও লেখা-লেখি, আঁকা-আঁকি প্রকাশিত হয়। বর্তমানে আসর দু’পৃষ্ঠা হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।
তুষার আহমেদ পাপ্পু
আমি কচি-কাঁচার আসরের একজন সদস্য। নিয়মিত এ আসরে লিখি এবং আসরটি পড়ি। আসরটিতে আমার মতো অনেক ছোট্ট ছোট্ট বন্ধুরা গল্প, কবিতা, ছড়া লেখে। এবং ছবি আঁকে, আসরটিতে দেশের অনেক বড় শিশু-সাহিত্যিক, কবি, ছড়াকাররাও লেখেন। তাদের লেখা পড়ে আমরা অনেক কিছু জানতে পারি এবং প্রেরণা পাই। আসরের ছোট বন্ধুদের অনেক অনেক ভালোবাসা। আসরের প্রকাশিত ‘প্রিয় স্কুল’, ‘প্রিয় বই’, ‘তোমাদের চিঠি থেকে’, এ ছাড়াও গল্প, ছড়া, কবিতা পড়তে আমার খুব ভালো লাগে।
ঘুনসী উচ্চ বিদ্যালয়, শিরখাড়া, মাদারীপুর।
