স্বাধীনতা দিবসের প্রীতিভোজে শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কাছে কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রধান প্রভোস্ট লাঞ্ছিত ও অপদস্ত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধান প্রভোস্টসহ মোট পাঁচজন প্রভোস্ট পদত্যাগ করেন। গতকাল মঙ্গলবার তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রভোস্ট কাউন্সিল বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রধান প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন জানান, গত ৩১ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস ৮০ প্যাকেট অতিরিক্ত খাবার দাবি করে। তিনি অতিরিক্ত খাবার প্যাকেট দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এসে প্রভোস্ট কক্ষ ঘেরাও করে এবং হলত্যাগ করার জন্য হুমকি দেয়। তিনি বিষয়টি তখনই উপাচার্যকে জানান। হল প্রভোস্টের সাথে এ ধরনের অশোভন আচরণের কারণে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান প্রভোস্ট ও সহকারী চার জন প্রভোস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রভোস্ট কাউন্সিলের বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। পাশাপাশি ছাত্রলীগের ঐ নেতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার লিখিত আবেদন জানান।
