গঙ্গাচড়ায় স্কুলের জমিতে দোকান তৈরির অভিযোগ

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৩৮
গঙ্গাচড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৮টি দোকান ঘর দীর্ঘদিন ধরে দোকান মালিকগণ চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেন। জানা যায়, ১৯৮৫ সালে তত্কালীন প্রধান শিক্ষক মরহুম জামালউদ্দীন বিদ্যালয়ের ১১ শতক জমিতে শর্ত সাপেক্ষে ১০ বছর মেয়াদে দুটি দোকানের জায়গা বরাদ্দ দেন। পরবর্তীতে আরো ৩৬টি দোকানের জায়গা পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী বরাদ্দ দেয়া হয়। ইতিমধ্যে অনেকেই চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দোকানঘর অন্যের নিকট বিক্রি ও লিজ দিয়েছে। চুক্তিতে আশপাশের দোকানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তি নবায়ন ও ভাড়া নির্ধারণের কথা থাকলেও মাসে ৩৮টি দোকান থেকে মাত্র ৫ হাজার টাকা ভাড়া আসে। চুক্তি অনুযায়ী ভাড়া না পাওয়ায় স্কুলটি মাসে কমপক্ষে দেড় লাখ টাকার লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। শিমুল ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মকছুদার রহমানসহ একাধিক দোকান মালিক দীর্ঘদিন চুক্তি না করা ও দোকানঘর অন্যত্র লিজ দেয়ার বিষয়টিও স্বীকার করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল (বাবলু) বলেন, কোন শর্ত বা চুক্তি ছাড়াই দোকান মালিকগণ এতোদিন থেকে অবৈধভাবে দোকান করে আসছে। নতুন কমিটি আসার পর থেকে দোকানদারদের সাথে চুক্তি করার জন্য পর পর ৩টি চিঠি দিলেও তারা কোন তোয়াক্কা করেনি। চুক্তি ছাড়াই দোকান করার ফলে বিদ্যালয়টি বহু বছর থেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাছাড়া এখানে বহুতল ভবন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।