বিজিডিসিএল/ পেট্রোবাংলার অনড় সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুত্ উত্পাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আশুগঞ্জ সার কারখানাটি ১৭-৩-২০১৪ তারিখে জোর করে বন্ধ করে দেয়া হয়। এ কারখানায় সরবরাহ করা গ্যাস লাইনটি জাতীয় গ্যাসগ্রিড লাইনের সাকশান লাইন থেকে কারখানার নিজস্ব খরচে একটি বাইপাস লাইন দ্বারা সংযোজিত কারখানাটি তিতাস গ্যাস কূপের অনতিদূরে অবস্থতি। উল্লিখিত দুটি বিশেষ কারণে আশুগঞ্জ সারকারখানার গ্যাস সরবরাহ চালু থাকলেও গ্যাসের চাপের কোনোরূপ তারতম্য হয় না বলেই পিডিবিসহ সংশ্লিষ্ট ছোটখাটো বিদ্যুত্ কেন্দ্রের বিদ্যুত্ উত্পাদনে কোনো বিঘ্ন ঘটে না। আশুগঞ্জ সার কারখানাটি যখন ৮০% লোডে চলে ১২০০ টন সার উত্পাদন করছিল, ঠিক ঐ সময়ে আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রটি ১০০% লোডে বিদ্যুত্ উত্পাদনের প্রমাণই বিদ্যুত্ অফিসের রেকর্ডপত্রেই রয়েছে। এমনিভাবে বাস্তব বিশ্লেষণ না করে তড়িঘড়ি আশুগঞ্জ সার কারখানাটি বন্ধ করে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক দরে প্রায় ছয় কোটি টাকার লোকসানে ফেলে আগের মতো তিন মাস বন্ধ রাখলে শুধু উত্পাদন লোকসান হবে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। এ বিশাল লোকসানমূলত সরকারকেই টানতে হবে। তাই কারখানাটি অবিলম্বে চালু করতে সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।
সাইফুদ্দীন ফারুকী সি. ভিপি
আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
