নওগাঁ ও সদরপুরে গমের বাম্পার ফলন : কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৯
নওগাঁয় ভালো ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় গমচাষিরা ভীষণ খুশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর ভালো ফলন পাওয়া গেছে বলে কৃষকরা জানান। কৃষি সমপ্রাসরণ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় সাড়ে ২২ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে। জেলার পোরশা উপজেলার পাঁচড়াই গ্রামের মকবুল হোসেন, জালুয়া গ্রামের রমজান আলী, সাপাহার উপজেলার খঞ্জনপুর গ্রামের গমচাষি আবু বক্কার, আব্দুল মোল্লা, ভিওইল গ্রামের শরিফুল ইসলাম, গোপালপুরের আমিনুল ইসলাম, পিছলডাঙ্গার ছলিম উদ্দিন জানান, জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে গমেরও নতুন জাত উদ্ভাবন হয়েছে বরেন্দ্র এলাকায়। এ সময় ঠাঠা বরেন্দ্র এলাকায় পানির সমস্যা হয়। তাই ধান রোপণ করা হলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়। গম চাষে পানি, সার ও শ্রমিক কম লাগে। আবার লাভ হয় বেশি। গত বছর যেখানে গমের দাম ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, সেখানে এবার নওগাঁর হাটগুলোতে নতুন গম বিক্রি হচ্ছে ৯শ’ থেকে ১ হাজার টাকা মণ দরে। জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এসএম নূরুজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় সাড়ে ২২ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে নানা জাতের গম চাষ করেছে কৃষকরা। গত বছর থেকে এবার ৪ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে গম চাষ হয়েছে। সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা \ ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় এ বছর গমের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় গমের দানা বেশ পুষ্ট হয়েছে। ফলনও হয়েছে অন্যান্য বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জানা গেছে, চলতি বছরে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার হেক্টর জমিতে। উত্পাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ১৫ টন। সেখানে চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৫শ ৯৭ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উত্পাদন হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ৪শ ৮৯ টন। হেক্টর প্রতি গড় উত্পাদন হয়েছে ৩.৭৫ টন। উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল কাদের সরদার জানান, উপজেলার গম চাষিরা সরকারি লক্ষমাত্রার অধিক জমিতে গম চাষ করেছে। ফলনও হয়েছে অন্যান্য বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সরকার এ বছর কৃষকদের কাছ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে সরাসরি গম ক্রয় করবে।